এবার স্পট ফিক্সিংয়ে নিষিদ্ধ মোহাম্মদ ইরফান

মোহাম্মদ ইরফানপাকিস্তান ক্রিকেটে আবার কেলেঙ্কারি। এবার স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগে নিষিদ্ধ হয়েছেন বাঁহাতি পেসার মোহাম্মদ ইরফান। পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) ‘সন্দেহজনক আচরণ’ ও দুনীর্তির ‘দুটি কোড ভঙ্গ’ করায় দেশটির ক্রিকেট বোর্ড এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

দুর্নীতি, অনিয়মের সঙ্গে ফিক্সিং শব্দটা আঠার মতো লেগে আছে পাকিস্তানের ক্রিকেটের গায়ে। যত সরতে চাইছে, ততই যেন আপন করে কাছে টেনে ধরছে মাঠের বাইরের কেলেঙ্কারিগুলো। নতুন করে সেই কেলেঙ্কারিতে আবারও ক্রিকেট বিশ্বে নাম উঠল পাকিস্তানের। এবার পেস বোলার ইরফান স্পষ্ট ফিক্সিংয়ের দায়ে পেলেন শাস্তি। পিএসএলে তিনি স্পষ্ট ফিক্সিং করেছিলেন বলে অভিযোগ তুলেছিল টুর্নামেন্টের অ্যান্টি-করাপশন ইউনিট। ‘ঘরোয়া’ টি-টোয়েন্টির ওই টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার পর পিসিবি এই অভিযোগের সত্যতা খুঁজে পেয়েছে, তাই দীর্ঘদেহী এই পেসারকে নিষিদ্ধ করেছে ক্রিকেট থেকে।

৭ ফুট ১ ইঞ্চি শরীরের এই পেসার পাকিস্তানের হয়ে খেলা ৪ টেস্ট উইকেট নিয়েছেন ১০টি। আর ৬০ ওয়ানডেতে তার শিকার ৮৩ উইকেট। ২০১০ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখা ইরফান ২০টি-টোয়েন্টিতে পেয়েছেন ১৫ উইকেট। চোটের কারণে মাঝে বেশ কয়েকটি ম্যাচ মিস করা বাঁহাতি এই পেসার পাকিস্তানের জার্সিতে শেষবার নেমেছিলেন গত বছরের সেপেম্বরে।

ইরফানের সঙ্গে একই কারণে অভিযুক্ত আরও দুই ক্রিকেটার, তারা হলেন কুয়েটা গ্ল্যাডিয়েটরসের হয়ে খেলা স্পিনার জুলফিকার বারর ও করাচি কিংসের উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান শাহজাইব হাসান।

কেলেঙ্কারির শুরুটা কিন্তু এখানেই নয়, গায়ে কালি ভালো করে লাগে পিএসএলের শুরুতেই। সংযুক্ত আরব আমিরাতে টুর্নামেন্টটি চলাকালেই ফিক্সিংয়ের অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের দুই ব্যাটসম্যান শারজিল খান ও খালিদ লতিফকে, তাদেরকে দেশেও ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল তখন। ইন্ডিয়া টুডে

/কেআর/