নিকলসের সেঞ্চুরিতে নিউজিল্যান্ডের দিন

টেস্টে প্রথম সেঞ্চুরি উদযাপন নিকলসেরহেনরি নিকলস না থাকলে নিউজিল্যান্ডের ভাগ্যে কী যে ছিল! বেসিন রিজার্ভে তার অভিষেক সেঞ্চুরিতেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে লড়াই করার মতো সংগ্রহ করেছে স্বাগতিকরা। এর পর দক্ষিণ আফ্রিকার দুই ওপেনারকে ফিরিয়ে দিনটা নিজেদের করেছে ব্ল্যাক ক্যাপরা। তাদের প্রথম ইনিংস ২৬৮ রানে গুটিয়ে গেলেও দিন শেষ হওয়ার আগে টিম সাউদি ও কলিন ডি গ্রান্ডহোম প্রোটিয়াদের উইকেট দুটি নেন।

দক্ষিণ আফ্রিকা জবাব দিতে নেমে টানা দুই ওভারে স্টিফেন কুক ও ডিন এলগারকে হারায়। মাত্র ১২ রানের মধ্যে তাদের দুইজনকে মাঠছাড়া করেন সাউদি ও গ্রান্ডহোম। কাগিসো রাবাদা ৮ রানে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করবেন, অপর প্রান্তে হাশিম আমলা তিন বল খেলেও রানের খাতা খুলতে পারেননি। দলের হাল ধরতে শুক্রবার তার উপর ভরসা রাখতে পারে প্রোটিয়ারা। তাদের সংগ্রহ ২ উইকেটে ২৪ রান।

ওয়েলিংটনে টস জিতে নিউজিল্যান্ডকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় দক্ষিণ আফ্রিকা। সিদ্ধান্তটা যথাযথই নিয়েছিল তারা। মরনে মরকেল ও কাগিসো রাবাদার তোপে মাত্র ২১ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড।

এর পর জিত রাভাল ও জিমি নিশামকে ফিরিয়ে নিউজিল্যান্ডের স্কোরবোর্ড আরও নাজুক করে দেয় সফরকারীরা। ১০১ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে স্বাগতিকরা। শেষ পর্যন্ত শতাধিক রানের জুটিতে দলকে টেনে তোলেন নিকলস।

বাঁহাতি এ ব্যাটসম্যানকে উপযুক্ত সঙ্গ দেন বিজে ওয়াটলিং। ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ওয়াটলিংয়ের সঙ্গে ১১৬ রানের জুটি গড়েন নিকলস। জেপি ডুমিনির বলে ব্যক্তিগত ১১৮ রানে তিনি সাজঘরে ফিরতেই আবার ব্যাটিং ধস। নিউজিল্যান্ডের শেষ ৫ ব্যাটসম্যানের চারজনকেই মাঠছাড়া করেন ডুমিনি। ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করতে ১১.৩ ওভারে ৪৭ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন প্রোটিয়া এ স্পিনার। এছাড়া মরকেল, রাবাদা ও কেশব মহারাজ দুটি করে উইকেট পান। সূত্র- ক্রিকইনফো

/এফএইচএম/