অস্ট্রেলিয়া, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও পাকিস্তানের পর চতুর্থ দেশ হিসেবে বাংলাদেশ শততম টেস্ট জিতে মাইলফলকে পৌঁছালো। পাকিস্তান শততম জয় পেয়েছিল ১৯৭৯ সালে। তার ৩৮ বছর পর কোনও টেস্ট খেলুড়ে দেশ শততম জয়ের দেখা পেল।
১৯১২ সালে সবার আগে শততম টেস্ট খেলে জয় পায় অস্ট্রেলিয়া। ইনিংস ও ৮৮ রানের বড় ব্যবধানে প্রোটিয়াদের হারিয়েছিল অসি টিম। ওই ম্যাচে ওয়ারেন বার্ডসলি ও চার্লস কেলওয়ের জোড়া সেঞ্চুরিতে ৪৪৮ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। জবাবে দক্ষিণ আফ্রিকা তাদের প্রথম ইনিংসে ২৬৫ রান করে ফলোঅনে পড়ে। দ্বিতীয় ইনিংসে আবারও ব্যর্থ হলে অস্ট্রেলিয়া ইনিংস ও ৮৮ রানে ম্যাচ জেতে। ম্যাচ জয়ের নায়ক ছিলেন অস্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডার চার্লস কেলওয়ে। ব্যাট হাতে ১১৪ রান করার পর, বল হাতেও ৫ উইকেট নিয়ে প্রোটিয়া ব্যাটিং লাইনআপ গুড়িয়ে দেন তিনি।
শততম ম্যাচে দ্বিতীয় জয় আসে ১৯৬৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের। আগে ব্যাটিং করা ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২৩৯ রান সংগ্রহ করে তাদের প্রথম ইনিংসে। জবাবে অস্ট্রেলিয়া ২১৭ রান তুলতেই সবগুলো উইকেট হারায়। ২২ রানে এগিয়ে থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৭৩ রান সংগ্রহ করে। ৩৯৫ রানের লক্ষ্যের বিপরীতে খেলতে নেমে অস্ট্রেলিয়া ২১৬ রানেই অলআউট হয়। ফলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৭৯ রানের ব্যবধানে তাদের শততম ম্যাচটি জয় লাভ করে।
তৃতীয় জয়টি ছিল পাকিস্তানের। ১৯৭৯ সালে মেলবোর্নে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শততম ম্যাচ জিতেছিল তারা। মজিদ খানের শততম টেস্টের সেঞ্চুরির সুবাদেই মূলত জয় পেয়েছিল পাকিস্তান। আগে ব্যাটিং করা পাকিস্তান ১৯৬ রান তুলতেই অলআউট হয়েছিল। জবাবে অস্ট্রেলিয়া ইমরান খানের বোলিং তোপে পড়ে ১৬৮ রানে অলআউট হয়। ২৮ রানে এগিয়ে থেকে মজিদ খানের ১০৮ রানে পাকিস্তান তাদের দ্বিতীয় ইনিংসে পাহাড়সম ৩৫৩ রান সংগ্রহ করে। ৩৮১ রানে জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে অস্ট্রেলিয়া সরফরাজ নেওয়াজের বোলিংয়ে ৩১০ রানে অলআউট হয়। ফলশ্রুতিতে পাকিস্তান ম্যাচ জেতে ৭১ রানে। এরপর ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী হলো বাংলাদেশ।
/এফআইআর/