ক্লেনবুটেরোল সাধারণত অ্যাজমার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। তবে পেশি বাড়াতে এবং স্থুলতা কমাতেও এর ব্যবহার হয়ে থাকে। এর অবৈধ ব্যবহারে ওয়াডার নিয়ম অনুযায়ী সর্বোচ্চ চার বছর নিষিদ্ধ হতে পারেন আফগানিস্তানের শীর্ষ এ টি-টোয়েন্টি ব্যাটসম্যান। আর যদি প্রমাণ করতে পারেন তিনি ইচ্ছা করে এ ঔষধ সেবন করেননি, তবে সেই শাস্তিটা কমে দুই বছরের হতে পারে।
আইসিসির ডোপবিরোধী নীতি অনুযায়ী অভিযোগ আনার ১২ দিন পর শাহজাদ সাময়িক নিষিদ্ধ হবেন। অর্থাৎ ২৬ এপ্রিল থেকে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।
আত্মপক্ষ অবলম্বন করার সুযোগ পাচ্ছেন শাহজাদ। এজন্য অভিযুক্ত হওয়ার পাঁচদিনের মধ্যে ‘বি’ নমুনা পরীক্ষার জন্য অনুরোধ করতে পারবেন শাহজাদ এবং এ নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ করার জন্য হাতে পাবেন ১২দিন।
নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ করলে একটি শুনানির আয়োজন করা হবে। ওই শুনানির ফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত তার নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না।
আর ১৪ দিনের মধ্যে যদি এ অভিযোগের কোনও প্রতিক্রিয়া না জানান শাহজাদ, তাহলে বুঝতে হবে অপরাধ স্বীকার করে নিয়েছেন তিনি।
গত বছর আইসিসির সহযোগী ও অধিভুক্ত দলগুলোর বর্ষসেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছিলেন শাহজাদ। ৫৮টি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলে ‘বিগ হিটার’এর খ্যাতি কুড়িয়ছিলেন এ আফগান ক্রিকেটার। সূত্র- ক্রিকইনফো, বিবিসি, ক্রিকবাজ
/এফএইচএম/