উদ্বোধনী জুটিতে ক্রিস গেইলের সঙ্গে কোহলি- তাদের দেখেই বেঙ্গালুরুর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়াম মাতোয়ারা। শক্তিশালী দুই ব্যাটসম্যানকে নিয়ে বেঙ্গালুরু শুরু করে চতুর্থ ম্যাচের খেলা। তবে ইনিংস শেষে দলটির স্কোরবোর্ড আরেকবার হতাশ করে- ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৪২ রান। বল হাতে নিয়ে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে চ্যালেঞ্জ করে ম্যাচে ফিরতে চেষ্টা করেছিল তারা। কিন্তু সফল হয়নি। আইপিএলের দশম আসরে চার ম্যাচ শেষে বেঙ্গালুরুকে তৃতীয় হারের স্বাদ দিয়েছে মুম্বাই।
টি-টোয়েন্টিতে ১০ হাজার রান পূর্ণ করার প্রত্যাশা নিয়ে মাঠে নেমেছিলেন গেইল। এজন্য ক্যারিবীয় তারকাকে করতে হতো ৩৫ রান। কিন্তু হার্দিক পান্ডের বলে পার্থিব প্যাটেলকে ক্যাচ দেন গেইল, থামতে হয় ২২ রানে।
মুম্বাইয়ের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে শুধুমাত্র কোহলি নিজেকে মেলে ধরতে পেরেছিলেন। ৪৭ বলে ৫ চার ও ২ ছয়ে ৬২ রানে আউট হন বেঙ্গালুরু অধিনায়ক। আরেক তারকা ব্যাটসম্যান এবি ডি ভিলিয়ার্স মাত্র ১৯ রান করেন।
মিচেল ম্যাকক্লেনাঘান মুম্বাইয়ের পক্ষে সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন।
আগের ওভারেই স্টুয়ার্ট বিন্নি ফেরান মুম্বাইয়ের ওপেনার জোশ বাটলারকে। মাত্র ৬ বলের ব্যবধানে ৭ রানে চার উইকেট হারায় সফরকারীরা। জয়ের সুবাস যেন পাচ্ছিল বেঙ্গালুরু। ফর্মের তুঙ্গে থাকা নিতিশ রানাকে (১১) দলীয় ৩৩ রানে ফিরিয়ে জয় উদযাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছিল কোহলিরা।
কিন্তু সব হিসাবনিকাশ পাল্টে দেন কিয়েরন পোলার্ড। তার ব্যাটিং ঝড়ে ৭ বল বাকি থাকতে টানা তৃতীয় জয় পায় মুম্বাই। যদিও জয় থেকে ১৭ রান দূরে থাকতে আউট হতে হয় পোলার্ডকে। এ ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যান ৪৭ বলে ৩ চার ও ৫ ছয়ে ৭০ রান করে ম্যাচসেরা হন।
জয়কে কিছুটা এগিয়ে তরান্বিত করতে আরও অবদান রাখেন ক্রুনাল পান্ডে, ৩০ বলে ৩৭ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। ১৮.৫ ওভারে হার্দিক পান্ডের (৯*) ব্যাট থেকে আসে জয়সূচক ৬টি। ৬ উইকেট হারিয়ে মুম্বাই করে ১৪৫ রান।
এনিয়ে টানা তিন জয়ে চার ম্যাচ শেষে ৬ পয়েন্টে শীর্ষে উঠে এসেছে মুম্বাই। আর সমান খেলে মাত্র একটি জয় ও তিনটি হারে ছয় নম্বরে বেঙ্গালুরু। সূত্র- ক্রিকইনফো
/এফএইচএম/