লন্ডনের কেনিংটন ওভালে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। কিন্তু মাঝপথে ভেঙে পড়ে তাদের ব্যাটিং লাইনআপ। কুইন্টন ডিক কক, হাশিম আমলা ও ফাফ দু প্লেসিস যা একটু প্রতিরোধ গড়েছিলেন। বাকি সবাই ব্যস্ত ছিলেন আসা-যাওয়ায়।
সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো দক্ষিণ আফ্রিকার তিন ব্যাটসম্যান ফিরেছেন রান আউট হয়েছে। যার মধ্যে আছে এবি ডি ভিলিয়ার্স ও ডেভিড মিলারের গুরুত্বপূর্ণ উইকেট দুটি। দুর্দান্ত ফিল্ডিংয়ের সঙ্গে ভারতীয় বোলাররাও ছিলেন অসাধারণ। ভুবনেশ্বর কুমার ও জসপ্রিৎ বুমরাহ ২টি করে উইকেট নেন, রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও রবীন্দ্র জাদেজা ১ উইকেট করে পান।
কেনিংটন ওভালে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা দক্ষিণ আফ্রিকার শুরুটা মন্দ ছিল না অবশ্য। উদ্বোধনী জুটিতে ডি কক-আমলা যোগ করেন ৭৬ রান। আমলা ৩৫ রান করে ফিরলেও ডি কক তুলে নেন হাফসেঞ্চুরি। তিন নম্বরে নেমে ফাফ দু প্লেসিসও করছিলেন সাবলীল ব্যাটিং। তবে ডি কক ৫৩ রান করে আউট হওয়ার পর ভেঙে পড়ে প্রোটিয়াদের ব্যাটিং লাইন।
লক্ষ্যটা বড় ছিল না। তারপরও ২৩ রানে একমাত্র হোঁচট খায় ভারত। টানা ২ ম্যাচে হাফসেঞ্চুরি পাওয়া রোহিত শর্মা মাত্র ১২ রানে মরনে মরকেলের শিকার হন। এর পর দ্বিতীয় উইকেটে শিখর ধাওয়ান ও বিরাট কোহলির হাফসেঞ্চুরিতে সহজে জেতে ভারত। যদিও ধাওয়ান দলের সঙ্গে জয়ের বন্দরে ভিড়তে পারেননি। ৮৩ বলে ১২ চার ও ১ ছয়ে ৭৮ রানে ইমরান তাহিরের শিকার হন এ ওপেনার। ১২৮ রানের জুটি গড়েন তারা।
কোহলির সঙ্গে যুবরাজ সিং ক্রিজে থেকে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন। ১০১ বলে ৭৬ রানে অপরাজিত ছিলেন কোহলি, আর যুবরাজ টিকে ছিলেন ২৩ রানে। ৩৮ ওভারে ২ উইকেটে ১৯৩ রান করে গতবারের চ্যাম্পিয়নরা।
এ জয়ে ‘এ’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেমিফাইনালে উঠার দ্বারপ্রান্তে থাকল ভারত।
/এফএইচএম/