টস জিতে টেরিটরি একাদশকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় বিসিবির এইচপি দল। আগে ব্যাটিং করা স্বাগতিক দলটি ৭ উইকেট হারিয়ে ১৮৯ রান সংগ্রহ করে। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭৮ বলে ৭৪ রান করেন ডিকম্যান। এছাড়া ৭৭ বলে ৪২ রান করেছেন গ্রেগরি।
বল হাতে আলাদা করে জ্বলে উঠতে পারেননি এইচপি দলের কেউ। তবে সবাই কম বেশি অবদান রেখেছেন। আবুল হাসান সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নিয়েছেন। সর্বশেষ প্রিমিয়ার লিগে আলো ছড়ানো আবু হায়দার রনি এই ম্যাচে ১০ ওভারে ৪ মেডেন নিয়েছেন ১টি উইকেট। এছাড়া লেগ স্পিনার জুবায়ের, সাইফ উদ্দিন, আবু জায়েদ প্রত্যেকে একটি করে উইকেট নিয়েছেন।
১৯০ রানের সহজ লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুটা ভালোই করেছিল এইচপি দল। জাতীয় দলে ফেরার লড়াইয়ে দুই ওপেনার লিটন দাস ও এনামুল হক ৫৮ রানের জুটি গড়েছেন। বিস্ফোরক ব্যাটিং করতে থাকা অধিনায়ক লিটন ৩১ বলে ৪১ করে সাজঘরে ফিরলে রানের চাকা আটকে যায়। লিটন ফিরে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর এনামুলও ২৯ বলে ২০ করে সাজঘরে ফেরেন।
এরপর মিডল অর্ডারের নাজমুল হোসেন শান্ত, মেহেদি মারুফ, ইমতিয়াজ হোসেন ও তাসামুল হক ব্যর্থ হলে হারের শঙ্কা জাগে এইচপি শিবিরে। আসা-যাওয়ার মিছিলে ১২৯ রান তুলতেই লিটনরা হারায় ৭ উইকেট।
এর পরই মূলত ঘুরে দাঁড়ায় এইচপি দলটি। অষ্টম উইকেটে তানভীর হায়দার ও আবুল হাসান রাজু মিলে ৪৪ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন। ৩১ রান করে রাজু ফিরে গেলে আবারও হারের শঙ্কায় পড়ে এইচপি দলটি। রাজুর বিদায়ের পর রনিও দ্রুত ফিরে যায়। দ্রুত দুই উইকেট হারালেও একপ্রান্ত ঠিকই আগলে রেখেছিলেন তানভীর।
শেষ জুটিতে প্রয়োজন ছিল ১৩ রানের। জুবায়েরকে সঙ্গে নিয়ে দারুণ দক্ষতায় দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান তানভীর। জাতীয় দলে জায়গা হারানো অলরাউন্ডার অপরাজিত থাকেন ৫১ রানে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
নর্দার্ন টেরিটরি (আমন্ত্রিত একাদশ): ৫০ ওভারে ১৮৯/৭ (ডয়েল ২৪, গ্রেগরি ৪২, ডিকম্যান ৭৩; আবু হায়দার ১/২৮, আবু জায়েদ ১/৫০, আবুল হাসান ২/৩৪, সাইফ উদ্দিন ১/২৩, জুবায়ের ১/৩৩)
বিসিবি এইচপি দল: ৪৯.৩ ওভারে ১৯০/৯ (লিটন ৪১, এনামুল ২০, নাজমুল ১, মারুফ ৭, ইমতিয়াজ ৯, তাসামুল ৭, তানবির ৫১*, সাইফ উদ্দিন ৪, আবুল হাসান ৩১, আবু হায়দার ৪, জুবায়ের ১*; মার্টিন ৩/৩৪, বিঙ্কস ১/২৫, গ্রেগরি ২/৩৫, ডয়েল ১/২৭, ডেভ ১/১৫)।
/আরআই/এফএইচএম/