মঙ্গলবার পাঁচ দিনের সফরে জিম্বাবুয়ে যাচ্ছেন মনোহর। এই সফরে তিনি জিম্বাবুয়ের ভাইস-প্রেসিডেন্ট ও ক্রীড়ামন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। তার এই সফর রঙ হারানো জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটে নতুন করে চলার পথটা আরও শক্তিশালী করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। হিথ স্ট্রিকের হাত ধরে জিম্বাবুয়ে ইতিমধ্যে তাদের ঝলক দেখিয়েছে শ্রীলঙ্কা সফরে। ২০০৫ থেকে ২০১১ পর্যন্ত স্বেচ্ছায় টেস্ট থেকে নির্বাসনে থাকা জিম্বাবুয়ে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের মতো টুর্নামেন্টের আয়োজক হয়ে হারানো দিন ফিরিয়ে আনার স্বপ্নে এখন বিভোর। মনোহরের সফরটা ইতিবাচক হিসেবেই দেখছে তারা।
যদিও সূচি অনুযায়ী এখনও বাংলাদেশই আছে বিশ্বকাপের আয়োজক হিসেবে। তবে বাংলাদেশের ক্রিকেট ভক্তরা নিশ্চিতভাবে চাইবে আয়োজকের দায়িত্বটা যাতে পালন করতে না হয়! কেননা সরাসরি বিশ্বকাপের টিকিট কাটলে বাংলাদেশের আর খেলতে হবে না বাছাইপর্ব। তাতে বাংলাদেশ থেকে সরে যাবে বাছাইপর্বের টুর্নামেন্ট। র্যাংকিংয়ের সাত নম্বরে থাকা টাইগাররা এখন সুবিধাজনক জায়গাতেই আছে, বড় কোনও অঘটন না ঘটলে বাংলাদেশ সরাসরি খেলবে ২০১৯ সালের বিশ্বকাপ।
বাংলাদেশ থেকে বাছাইপর্ব সরে গেলে আয়োজক হতে পারে জিম্বাবুয়ে। কারণ সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং যৌথভাবে আগ্রহ দেখানো আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডের চেয়ে এগিয়ে আছে আফ্রিকার দেশটি। ইতিহাস-ঐতিহ্যের সঙ্গে আবহাওয়ার কারণেও এগিয়ে জিম্বাবুয়ে। ২০১৮ সালের জুন-জুলাইয়ে বাছাইপর্ব হলেও জিম্বাবুয়েতে তখনও থাকবে শীতের আমেজ। ক্রিকইনফো
/কেআর/