বোর্ডের গঠনতন্ত্র নিয়ে তিনি বলেছেন, ‘এখানে দুটি প্রশ্ন আমার, বর্তমান বোর্ডের কর্মকর্তারা কি মনে করেন হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের রায়ের আলোকে বর্তমানে উনারা যে গঠনতন্ত্র নিয়ে কাজ করছেন, সেটা বৈধ কিনা? আমরা কোনও কমিটি নিয়ে কথা বলছি না, কথা বলছি গঠনতন্ত্র নিয়ে। তাহলে এখানে একটা পরিষ্কার জবাব থাকতে হবে, এটি বৈধ এবং এটা নিয়ে আমরা কাজ করছি। আমার হিসেবে রায় তো বলে এটা বৈধ না।’
রুলের বিরুদ্ধে বিসিবির আপিল নিয়ে সাবের আরেকটি প্রশ্ন রেখেছেন, ‘বিসিবি কি সরকারের হস্তক্ষেপ চায়? আদালতের রুল অনুযায়ী, বিসিবি সরকারি হস্তক্ষেপ থেকে মুক্ত থাকবে। কিন্তু জাতীয় ক্রীড়া পরিষদকে নিয়ে বিসিবি আপিল করেছে, তারা কী চায়? আইসিসির গাইডলাইন অনুযায়ী বোর্ড স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করবে। কিন্তু আপিল করে বুঝিয়ে দিলো আসলে তারা কী চায়?’
বার্ষিক সাধারণ সভা বয়কট করার হুমকিও দিলেন সাবের, ‘যদি বলা হতো এটা বৈধ, তাহলে আমি সাধারণ সভায় অংশ নেওয়ার বিষয়টা ভাবতাম। আমি একজন সংসদ সদস্য। আমরা আইন তৈরি করি, প্রণয়ন করি। আইনের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা একটু বেশি হওয়া উচিত। এমন একটা এজিএম বা প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত হব না যেটাতে পরবর্তীতে একটা ঝুঁকি সৃষ্টি হয় এবং সেটাই হচ্ছে। আমার এটা ব্যক্তিগত মতামত।’