দেশের প্রথম স্পোর্টস এফএম রেডিও স্টেশন ‘রেডিও এজ ৯৫.৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক বলেছেন, ‘দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের সবচেয়ে ইতিবাচক দিক হচ্ছে এটা আমাদের জন্য একটা শিক্ষা। তবে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। আমার মনে হয় না বাংলাদেশের ক্রিকেট এখানে থেমে থাকবে। আমাদের এতো ব্যাক আপ খেলোয়াড় নেই যে নতুন দল এনে বিশ্বকাপ জিতে যাবো। এটা অসম্ভব, তাই বর্তমান খেলোয়াড়দেরই দায়িত্ব নিতে হবে। তাদের ব্যক্তিগতভাবে খুঁজতে হবে কোথায় ভুল ছিল। আর সেই ভুলগুলো নিয়ে কাজ করতে হবে। তাহলে হয়তো সবকিছু ঠিক থাকবে, নইলে এমন পারফরম্যান্স নিয়মিত হতে থাকবে।’
দক্ষিণ আফ্রিকায় টাইগাররা প্রত্যেক ম্যাচে হেরে গেলেও দল নিয়ে মাশরাফি আশাবাদী। ‘নড়াইল এক্সপ্রেস’-এর বিশ্বাস, পারফরম্যান্স খারাপ হলেও এই সফর থেকে অনেক কিছু শিখতে পারবেন তার সতীর্থরা, ‘আমি সবসময় বিশ্বাস করি আল্লাহ যা করেন ভালোর জন্যই করেন। দেশের বাইরে খেলতে গেলে মানসিকভাবে শক্ত থাকতে হয়, কঠোর অনুশীলন করতে হয়। কিন্তু সফরের আগে আমরা খুব বেশি অনুশীলন করিনি। মানসিকভাবে কীভাবে শক্ত হতে হয়, এই সফর থেকে তা আমরা শিখতে পারি।’
ওয়ানডে সিরিজ হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পর এটাকে দলের জন্য ‘অ্যালার্মিং’ বলেছিলেন মাশরাফি। শব্দটা তিনি ব্যাখ্যা করলেন এভাবে, ‘দক্ষিণ আফ্রিকায় থাকতেই আমি বলেছিলাম এটা অ্যালার্মিং। তবে তা কোনও বিপদ সংকেত হিসেবে নয়। আমি বলতে চেয়েছি, আগামী বছর আমাদের আরও বেশি অ্যাওয়ে সিরিজ খেলতে হবে। আমরা ২০১৯ সালে বিশ্বকাপ খেলবো ইংল্যান্ডে। তাই একদিক দিয়ে আমাদের জন্য ভালোই হয়েছে। এবারের দক্ষিণ আফ্রিকা সফর আমাদের জন্য অবশ্যই একটা শিক্ষা।’