বাংলাদেশকে সেরা পাঁচে দেখতে চান বিসিবি সভাপতি

নাজমুল হাসানকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন বোর্ড পরিচালকরা। ছবি-বিসিবিনাজমুল হাসান যে আবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি হতে যাচ্ছেন, তা অনুমিতই ছিল। বিসিবির নির্বাচিত ২৫ পরিচালকের একমাত্র প্রার্থী হওয়ায় দ্বিতীয় দফা বোর্ড প্রধানের ভূমিকায় তিনি। বুধবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি নির্বাচিত হয়ে নিজের লক্ষ্যের কথা জানিয়েছেন নাজমুল হাসান।

বিসিবি সভাপতির লক্ষ্য, বাংলাদেশকে ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ে সেরা পাঁচের মধ্যে নিয়ে যাওয়া। মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে তিনি সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, ‘গত মেয়াদেই লক্ষ্য ছিল সেরা পাঁচের মধ্যে থাকা, কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে পারিনি। কয়েক দিনের জন্য ছয়ে উঠলেও আবার সাতে নেমে যায় বাংলাদেশ। এবারের মেয়াদে আমার লক্ষ্য সেরা পাঁচে যাওয়া। কাজটা অবশ্য আগের চেয়ে কঠিন হবে। কারণ, সামনে আমাদের বেশিরভাগ খেলাই দেশের বাইরে।’

কয়েক দিন আগে নাজমুল হাসান বলেছিলেন, তেমন ইচ্ছা না থাকলেও বোর্ড পরিচালকদের অনুরোধে আবার সভাপতির দায়িত্ব নিতে রাজি হয়েছেন তিনি। দ্বিতীয় দফা সভাপতি হয়ে একই কথা বললেন, ‘আমার ইচ্ছা ছিল পরিচালক হিসেবে বোর্ডে থাকার। আমি চাইছিলাম অন্য কেউ বোর্ড সভাপতির দায়িত্ব পালন করুক। কারণ আমাকে অনেক ব্যস্ত থাকতে হয়। কিন্তু নতুন দুজন সহ সব পরিচালক সভাপতি হিসেবে আমাকেই চাইছে। কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় আমিই আবার নির্বাচিত হয়েছি।’

আগামী চার নভেম্বর সিলেটে শুরু হবে বিপিএল। এরপর ঢাকায় ১১ নভেম্বর শুরু হবে বিপিএলের দ্বিতীয় পর্ব। তখনই বোর্ড সভা করে সহ-সভাপতি নির্বাচন ও স্ট্যান্ডিং কমিটিগুলো ভাগ করে দেওয়া হবে বলে জানালেন নাজমুল হাসান, ‘সহ-সভাপতি নির্বাচন প্রক্রিয়া এখনও বাকি আছে। এছাড়া স্ট্যান্ডিং কমিটিও ভাগ করতে হবে। সিলেট থেকে ফিরে ঢাকায় খেলার মাঝখানে আমরা বোর্ড মিটিং ডাকবো। আপাতত আগের  কমিটি কাজ করবে।’

পদ ‍দুটি হলেও এবার চার-পাঁচ জন বিসিবি সহ-সভাপতি হতে চাইছেন। এ ব্যাপারে বিসিবি সভাপতির বক্তব্য, ‘যারা বেশি দায়িত্ব নিতে চান,  তাদের সাধুবাদ জানাই। এমন প্রতিদ্বন্দ্বিতা হলে তো ভালোই। এবার চার-পাঁচ জন লড়াই করতে পারে সহ-সভাপতি পদের জন্য। আমরা সবার সঙ্গে আলোচনা করে যা ভালো হয়, সেটাই করবো।’

গতবার ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছিলেন আকরাম খান। নতুন কমিটিতে বড় ধরনের পরিবর্তন না আসারই ইঙ্গিত দিলেন নাজমুল হাসান, ‘কিছু পরিবর্তন এলেও বড় পরিবর্তন না-ও আসতে পারে। ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগ বেশ কঠিন এবং টেকনিক্যাল। এখানে পরিবর্তন আসবে বলে আমার মনে হয় না। বাকি কমিটিগুলোতে বেশ কিছু নতুন মুখ দেখা যেতে পারে।’