খুলনার রেকর্ড ২১৩ রান

নাজমুলের দুর্দান্ত শুরু খুলনাকে এনে দেয় বিশাল সংগ্রহরাজশাহী কিংসের বিপক্ষে বিপিএলের নবম ম্যাচে ভালো শুরু হয়েছে খুলনা টাইটানসের। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নাজমুল হোসেনের ব্যাটে ভালো শুরু করেছিল তারা। এ ওপেনার হাফসেঞ্চুরি না হওয়ার আক্ষেপে পুড়লেও তার দেখানো পথে ব্যাট করেছেন নিকোলাস পুরান, আফিফ হোসেন ও কার্লোস ব্র্যাথওয়েটরা। চারজনের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে খুলনা ৫ উইকেটে করে ২১৩ রান। এটাই বিপিএলের পঞ্চম আসরে সর্বোচ্চ দলীয় রান। গত শুক্রবার রাজশাহীর বিপক্ষে ২১১ রান করেছিল চিটাগং ভাইকিংস।

ওপেনার নাজমুলের ব্যাটে শুরুটা ভালোই করে খুলনা। উদ্বোধনী জুটিতে রাইলি রোসোর সঙ্গে ৩.৪ ওভারে ২৮ রান তোলেন তিনি। এরপর আফিফকে নিয়ে দলের সংগ্রহে অবদান রাখেন তিনি। যদিও হাফসেঞ্চুরি না হওয়ার আফসোসে মাঠ ছাড়তে হয়েছে তাকে। ৩১ বলে ৪৯ রানে ফ্রাঙ্কলিনের এলবিডাব্লিউ হন নাজমুল। আফিফের সঙ্গে তার জুটি ৪৫ রানের। ওই ওভারের পঞ্চম বলে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ মাত্র ১ রানে বোল্ড হন।  

দারুণ কয়েকটি জুটিতে দুর্দান্ত খুলনাফ্রাঙ্কলিনের জোড়া আঘাতের ধাক্কা ঠিক কাটিয়ে ওঠে খুলনা। পুরান ও আফিফ ৮৮ রানের ঝড়ো জুটি গড়েন। ২৬ বলে ছয় চার ও তিন ছয়ে ৫৭ রানে পুরান আউট হলেও ঝড় থামেনি। মোস্তাফিজুর রহমান, মেহেদী হাসান মিরাজ ও ফ্রাঙ্কলিনদের ওপর চড়াও হন ব্র্যাথওয়েট ও আফিফ। ১৪ বলে তিনটি করে চার ও ছয়ে ৩৪ রানে শেষ ওভারে বোল্ড হন ব্র্যাথওয়েট। ৩৮ বলে ৫ ছয়ে ৫৪ রানে অপরাজিত ছিলেন আফিফ।

রাজশাহীর পক্ষে বল হাতে সর্বোচ্চ তিন উইকেট নেন ফ্রাঙ্কলিন।

টানা চতুর্থ জয়ের লক্ষ্যে রাজশাহীর বিপক্ষে আগে ব্যাট করতে নেমেছে খুলনা। টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় রাজশাহী।
সোমবার প্রথম ম্যাচে চিটাগং ভাইকিংসকে ৭ উইকেটে হারিয়ে শীর্ষস্থান ফিরে পেয়েছে ঢাকা ডায়নামাইটস। দুইয়ে নামতে হয়েছে খুলনাকে। ৮ ম্যাচে ১১ পয়েন্ট ঢাকার, আর খুলনার সমান পয়েন্ট এক ম্যাচ কম খেলে।

রাজশাহীকে হারালে আবারও শীর্ষস্থান ফিরে পাবে খুলনা। হালকা ইনজুরির কারণে এই ম্যাচে খেলছেন না জুনায়েদ খান। নেই তানভীর ইসলামও। তাদের বদলে এসেছেন শফিউল ইসলাম ও কাইল অ্যাবট।