তবে একই সঙ্গে অন্য ইঙ্গিতও দিয়ে রেখেছেন তিনি। শ্রীলঙ্কা সিরিজের আগে কোচ নিয়োগ নাও দিতে পারে বিসিবি। সেক্ষেত্রে খেলোয়াড়রা চালিয়ে নিতে পারবেন কিনা, সেটা জানতেই শনিবার তিন ফরম্যাটের তিন অধিনায়ক- মাশরাফি বিন মুর্তজা, মুশফিকুর রহিম ও সাকিব আল হাসানের সঙ্গে আলোচনায় বসেছিল বিসিবি। যেখানে ‘একবাক্যে’ কোচ ছাড়াও খেলা চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন সবাই।
চন্ডিকা হাথুরুসিংহের ছেড়ে যাওয়া চেয়ারে বসার দৌড়ে এগিয়ে আছেন রিচার্ড পাইবাস ও ফিল সিমন্স। পাইবাস ইতিমধ্যে সাক্ষাৎকার দিয়ে গেছেন বিসিবির কাছে। সিমন্সের দেখা করার কথা রবিবার। ক্যারিবিয়ান এই কোচের সঙ্গে কথা বলেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে যেতে পারে বিসিবি। তবে যদি শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত করতে না পারে, তাহলে? অধিনায়ক ও কোচিং স্টাফের অন্যদের সঙ্গে সেটা নিয়ে আলোচনা করতেই হোটেল রেডিসনে বসেছিলেন নাজমুল হাসান।
আলোচনা শেষে তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘আমরা কোচ নির্বাচনের একটা প্রক্রিয়ার মধ্যে আছি। এমনও তো হতে পারে আমরা এই (শ্রীলঙ্কা) সিরিজের আগে কোনও কোচ নিয়োগই দিলাম না। তাহলে কি হবে? সেজন্য ওদেরকে (অধিনায়ক ও কোচিং স্টাফদের) বলেছি, ওরা নিজেরা মিলে যেন এখন থেকেই একটা পরিকল্পনা করে ফেলে যে, সামনের সিরিজটি আমরা কিভাবে খেলব।’
কোচ না এলেও তিন অধিনায়ক- মাশরাফি, মুশফিক ও সাকিব খেলা চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন। নাজমুলের ভাষায় যা এমন, ‘সবার আগে জানতে চেয়েছি ওরা আত্মবিশ্বাসী কিনা। ওরা সবাই একবাক্যে স্বীকার করেছে পুরোপুরি আত্মবিশ্বাসী, সামনের সিরিজটা নিজেরাই করতে পারবে। এজন্য কার কী চাওয়া, কী পরিকল্পনা, কিভাবে কাজ করবে, কবে থেকে ক্যাম্প শুরু হবে- এ বিষয়গুলো নিয়ে কথা হয়েছে।’
কোচ নিয়োগ নিয়ে কোনও তাড়াহুড়ো করতে চান না বোর্ড সভাপতি, ‘কোচ নিয়োগ হতেও পারে, আবার নাও হতে পারে। কালকেও একজন (ফিল সিমন্স) আসবে, আপনারা জানেন। বোর্ড মিটিং আছে। আসলে এ মুহূর্তে আমি জানতে চেয়েছি শ্রীলঙ্কা সিরিজের আগে হেড কোচ নিয়োগের কোনও তাড়া আছে কিনা। ওদের সঙ্গে কথা বলে বুঝলাম কোনও তাড়া নেই।’ সঙ্গে যোগ করলেন, ‘আসলেই তারা আত্মবিশ্বাসী। কথা বলে বুঝতে পেরেছি তাড়াহুড়ো করে কোনও কোচ দরকার নেই তাদের। আমরা আস্তে ধীরে সবচেয়ে ভালো সমাধানের দিকে এগোতে পারব।’
নাজমুল আবার এটাও জানিয়ে রাখলেন, ‘তার মানে এই না যে, আমরা কোচ নিচ্ছি না। কাল-পরশুও আমরা কোচ নিতে পারি। এটা ভিন্ন ইস্যু। আমি ওদেরকে মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে বলেছি।’