ত্রিদেশীয় ও শ্রীলঙ্কা সিরিজে টেকনিক্যাল ডিরেক্টর সুজন

সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলছেন খালেদ মাহমুদ সুজনআগামী মাসে শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ের সঙ্গে একটি ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। এরপর শ্রীলঙ্কার সঙ্গে দুটি টেস্ট ও দুটি টি-টোয়েন্টির লড়াই। চন্ডিকা হাথুরুসিংহের বিদায়ের পর এখনও প্রধান কোচের দায়িত্বে কেউ নেই। ত্রিদেশীয় ও শ্রীলঙ্কা সিরিজে কোচ না থাকলেও টেকনিক্যাল ডিরেক্টরের ভূমিকায় দেখা যাবে খালেদ মাহমুদ সুজনকে।

যদিও গুঞ্জন ছিল, প্রধান কোচ না আসা পর্যন্ত সুজনকে দেখা যাবে অন্তর্বর্তী কোচের দায়িত্বে। কিন্তু জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক জানালেন, টেকনিক্যাল ডিরেক্টর হলেও মূলত কোচের দায়িত্বই পালন করবেন তিনি। মিরপুর ক্রিকেট একাডেমিতে তিনি সংবাদ মাধ্যমকে বললেন, ‘প্রধান কোচ যে দায়িত্ব পালন করেন, এটা অনেকটা তেমনই। পদ যা-ই হোক, কাজটা একই থাকবে।’

২০১৫ বিশ্বকাপ থেকে দীর্ঘ দিন জাতীয় দলের ম্যানেজারের দায়িত্বে থাকা সুজন নতুন ভূমিকা নিয়ে রোমাঞ্চিত, ‘বাংলাদেশের ক্রিকেটের যে দায়িত্বই আমাকে দেওয়া হয়েছে, চেষ্টা করেছি ঠিকভাবে কাজটা করার। আমার কাছে পদ বা রোল গুরুত্বপূর্ণ নয়, বাংলাদেশের জন্য কাজ করাই সবচেয়ে বড় কথা। এটা আমার জন্য একটা সুযোগ, আর আমি সুযোগটা কাজে লাগাতে চাই। আমার ক্রিকেট আর কোচিং জ্ঞানের পুরোটা এখানে ঢেলে দিতে চাই।’

দক্ষিণ আফ্রিকা সফর ভালো না কাটলেও ঘরের মাঠে টাইগারদের সাফল্য নিয়ে আশাবাদী সুজন, ‘দক্ষিণ আফ্রিকায় আমাদের সময়টা ভালো যায়নি। এবার হোম কন্ডিশনে খেলা। আমাদের দল এখন অনেক ব্যালান্সড। আমি মনে করি, ওয়ানডে আর টেস্টে জেতার মতো দল আমাদের।’

সাম্প্রতিক সময়ে পারফরম্যান্স ভালো না হলেও শ্রীলঙ্কা সম্পর্কে যথেষ্ট সমীহ তার কণ্ঠে, ‘হোম কন্ডিশনে আমরা বরাবর ভালো দল। কিন্তু কোনোভাবেই শ্রীলঙ্কাকে খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। ভারতের বিপক্ষে খারাপ খেললেও তারা দারুণ শক্তিশালী দল।’

নতুন বছরের শুরুতে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হাথুরুসিংহের শ্রীলঙ্কাকে মোকাবিলা করা! টাইগারদের সাবেক কোচ এখন শ্রীলঙ্কা জাতীয় দলের দায়িত্বে। এ বিষয়ে সুজনের মন্তব্য, ‘চন্ডিকা সাড়ে তিন বছর আমাদের এখানে ছিলেন। আমাদের ভালো-মন্দ অবশ্যই তিনি জানেন। তাই পরিকল্পনা নিয়েই মাঠে নামতে হবে আমাদের। দলে পরিকল্পনা কার্যকর করার মতো খেলোয়াড় যেমন আছে, তেমনই অভিজ্ঞ খেলোয়াড়ও আছে। ২০১৮ সাল ভালোভাবে শুরু করাই আমাদের লক্ষ্য।’