ত্রিদেশীয় সিরিজের ৪ ম্যাচে ৫৫ রান করা এনামুলকে নিয়ে সংবাদ সম্মেলনের শুরুতেই উত্তর দিতে হয়েছে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজাকে। বৃহস্পতিবার অফ স্টাম্পের অনেক বাইরের বল টেনে উইকেট ভেঙেছেন এনামুল, যাতে ৬ বলে কোনও রান না করেই সাজঘরে ফেরেন এই ওপেনার। আগের ইনিংসগুলোও হতাশার, এমন পারফরম্যান্সের পর এনামুলের ফাইনালে সুযোগ পাওয়া কতটা যৌক্তিক, সেই প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক।
প্রশ্নটা শুনে মাশরাফি একটু নড়েচড়ে বসলেন। উত্তর দিলেন অবশ্য গোছানো, ‘এটা আসলে নিশ্চিত না। মাত্রই ম্যাচটা শেষ হলো। এটা নিয়ে ভাবার সময় আছে। বিজয়কে নিয়ে তো অনেক কথা হয়েছে। সে ঘরোয়া ক্রিকেটের সব জায়গায় রান করেছে। আপনারাই (সংবাদমাধ্যম) ওর বিষয়গুলো সামনে এনেছেন। ওর ওপর আমাদের পূর্ণ আস্থা ছিল। দেখা যাক ফাইনালে কী পরিকল্পনা হয়।’
শুধু এনামুল নন, সাব্বিরের সঙ্গে অভিজ্ঞ দুই ব্যাটসম্যান নাসির হোসেন ও মাহমুদউল্লাহর দায়িত্ব নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। টপ অর্ডারের ব্যর্থতার দিনে তাদের সামনে সুযোগ ছিল নিজেদের মেলে ধরার। কিন্তু তিনজনই দলকে বিপদে রেখে বাজে শটে আউট হয়ে ফিরেছেন। কঠিন সময়ে উইকেটে টিকে থেকে সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে না পারায় হতাশ মাশরাফি, ‘প্রত্যেকেই ভালো খেলতে অনেক পরিশ্রম করছে। তবে আজকে তাদের ভালো কিছু করার সুযোগ ছিল। নিশ্চিতভাবেই উইকেটে আরও বেশিক্ষণ সময় কাটানো যেত। দুজন (মাহমুদউল্লাহ-নাসির) অনেক দিন ধরেই খেলছে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে কিভাবে চাপ কমাতে হয়, সেটা তাদের জানার কথা। আশা করি, প্রত্যেকে এই সমস্যা থেকে বের হয়ে আসবে।’
শ্রীলঙ্কা ম্যাচের আগে টেকনিক্যাল ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ বুঝিয়েছিলেন এই ম্যাচটির গুরুত্ব কতটা। কোনোভাবেই ম্যাচটি হারতে চান না, সেটাও বলেছিলেন। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, বাংলাদেশ বড় ব্যবধানে হেরেছে। তাহলে কি অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসের কারণেই এমন হার? উত্তরটা মাশরাফির মুখেই শুনুন, ‘কারও মধ্যেই আমি অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস দেখিনি। আমরা খুবই বাজে ক্রিকেট খেলেছি। পুরো দিনটা আমাদের বাজে গিয়েছে।’