৯ বছর আগে ২০০৯ সালে এই লঙ্কানদের বিপক্ষে ভক্তরা বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের স্বপ্ন নিয়ে এসেছিলেন মাঠে। যদিও হতাশ হয়ে ফিরতে হয়েছিল সেবার, কুমার সাঙ্গাকারার দলের বিপক্ষে পেরে ওঠেনি মোহাম্মদ আশরাফুলের বাংলাদেশ।
ফাইনাল ম্যাচ ঘিরে পুরো স্টেডিয়ামে উৎসবের আমেজ। টিকিটের দুটি অস্থায়ী কাউন্টারে ভক্তরা টিকিটের জন্য করেছে অধীর অপেক্ষা। প্রায় তিন বছর পর ফাইনাল খেলছে বাংলাদেশ, সেখানে ভক্তরা ঘরে বসে থাকে কী করে! তাই গলা ফাটিয়ে দলকে সমর্থন দিতে মাঠে উপস্থিত টাইগার ভক্তরা।
আজ বাংলাদেশ জিতবে, এমন প্রত্যাশা বেশিরভাগ সমর্থকের। এদেরই একজন রাসেল। উত্তরা থেকে বন্ধুদের সঙ্গে খেলা দেখতে আসা এই তরুণ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘আশা করি আমরাই জিতব। অনেক কষ্ট করে লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট পেয়েছি। জয় নিয়েই বাড়ি ফিরব।’
ভোর ৬টা থেকেই টিকিট প্রত্যাশীরা স্টেডিয়ামের আশপাশে ভিড় করতে থাকেন। সকাল ১০টার দিকে বুথ খোলার পর তাদের টিকিট কেনার সুযোগ আসে। ততক্ষণে মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়াশে বিশাল লাইন।
যেকোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানোর জন্য আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে নিয়োজিত পুলিশ-আনসার সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে আছেন। এ ব্যাপারে আরিফুল নামের এক কনস্টেবল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘সকাল থেকেই এখানে ভিড়। এখনও কোনও সমস্যা হয়নি। আমরা নিরাপত্তা বাহিনী সতর্ক আছি।’