আগের ম্যাচে ৮২ রানে অলআউট হয়েছিল বাংলাদেশ, এবার ১৪২ রানেই। ফাইনালে ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার দিনে কেবল ব্যতিক্রম ছিলেন মাহমুদউল্লাহ। তাহলে কি অন্য ব্যাটসম্যানদের দক্ষতায় সমস্যা। মাশরাফি অবশ্য এমনটা মনে করছেন না, ‘মানসিকতার ঘাটতি আছে মনে হয়েছে। যতটুকু জানি, একজন ব্যাটসম্যানের সঠিক ভাবে বল বাছাই ও সিদ্ধান্ত নেওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে হয়তো আমাদের ব্যাটসম্যানদের ঘাটতি আছে। দ্রুত দুই-তিন উইকেট পড়ে গেলে কীভাবে ব্যাট করতে হয়, সেটা তারা বুঝতে পারছে না। তবে মাহমুদউল্লাহ যেভাবে খেলছিল তাতে করে মুশফিক যদি ইনিংসটা আরও একটু বড় করতো, হয়তো জয়টা সম্ভব হতো।’
অন্য তিনবারের মতো এবারও ফাইনাল জিততে পারলো না বাংলাদেশ। এনিয়ে হতাশ মাশরাফির প্রতিক্রিয়া, ‘স্বাভাবিকভাবে সবাই হতাশ। আমরা যেটা প্রত্যাশা করিনি, সেটাই হয়েছে। আমরা জিততে চেয়েছিলাম, কিন্তু পারিনি।’
ফাইনালে চাপে থাকার বিষয়টিও উঠে এলো সংবাদ সম্মেলনে। তবে আগের ফাইনালের চেয়ে এবার দল সুশৃঙ্খল ছিল মনে করছেন মাশরাফি, ‘অন্য ফাইনালের চেয়ে আজ আমরা বেশি শৃঙ্খল ছিলাম, বিশেষ করে বোলিং বিভাগে। আমার মনে হয় এই রান তাড়া করার মতো খেলোয়াড় দলে ছিল। ব্যাটসম্যানরা একটু সময় নিয়ে খেললে তাদের কাজটা সহজ হতো।’
৪২তম ওভারে ইনজুরিতে মাঠ থেকে উঠে যান সাকিব। এটা কত বড় ধাক্কা ছিল দলের জন্য? মাশরাফির উত্তর, ‘সাকিবের হাত দেখেই বুঝে গিয়েছিলাম, তাকে আমরা পাচ্ছি না। তারপরও ড্রেসিংরুমে সবাইকে বলা হয়েছিল সাকিবের বিষয়টি মাথায় রাখতে। সাকিব না থাকার পরও এই রান করার মতো ব্যাটসম্যান একাদশে ছিল।’
মুশফিকের আউটেই ম্যাচ হাতছাড়া হয়েছে মনে করছেন অধিনায়ক। তার আগে পর্যন্ত বাংলাদেশের জয়ের আশা ছিল বললেন তিনি, ‘১০ ওভার শেষে মাহমুদউল্লাহ ও মুশফিক যেভাবে ব্যাটিং করছিল, আমার মনে হয় তাদের জুটিটা আরও একটু এগিয়ে যেতে পারলে পরের দিকে হয়তো কাজটা সহজ হতো। কিন্তু মুশফিক আউট হওয়ার পর চিত্রটা পাল্টে যায়। তখনই আমরা ম্যাচ হেরে যাই।