বাংলাদেশের বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন কুশল মেন্ডিসের সঙ্গে ধনঞ্জয়া ডি সিলভা। প্রায় তিন সেশন দাপট দেখানো এই জুটি দ্বিতীয় সেশনে ভেঙেছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান। দ্বিতীয় উইকেটে ৩০৮ রান করেছিলেন তারা। ধনঞ্জয়াকেও ডাবল সেঞ্চুরি করতে দেয়নি বাংলাদেশ। তবে আক্ষেপটা বেশি কুশলের, কারণ ৪ রান দূরে ছিলেন তিনি। রোশেনের সঙ্গে ১০৭ রানের জুটি গড়ে ফিরতে হয়েছে তাকে। আগের ১৯৪ রানের সেরা ইনিংসকে পেছনে ফেললেও আরেকবার ব্যর্থ হলেন ডাবল সেঞ্চুরি করতে।
এর আগেও বাংলাদেশের বিপক্ষে ডাবল সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়েও প্রত্যাখ্যাত হন। গত বছর গলে টেস্টে তার আক্ষেপ ছিল ৬ রানের জন্য।
কুশলের সঙ্গে তিনশ ছাড়ানো জুটি গড়ার পথে ১৭৩ রান করেন ধনঞ্জয়া। ডাবল সেঞ্চুরির হাতছানি দিচ্ছিল তাকে। কিন্তু দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই নতুন বলের ফায়দা নিলো বাংলাদেশ। তাকে উইকেটরক্ষক লিটন দাসের ক্যাচ বানান মোস্তাফিজ। ২২৯ বলের ইনিংসে ধনঞ্জয়ার ছিল ২১ চার ও ১ ছয়।
শুক্রবার ১ উইকেটে ২৯৫ রানের জুটিতে প্রথম সেশন শেষ করে শ্রীলঙ্কা। তার আগেই বাংলাদেশের বিপক্ষে দ্বিতীয় উইকেটে সর্বোচ্চ জুটির রেকর্ড গড়েন কুশল ও ধনঞ্জয়া। ২০০২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার গ্রায়েম স্মিথ ও গ্যারি কার্স্টেনের ২৭২ রানের জুটি ছিল বাংলাদেশের বিপক্ষে সর্বোচ্চ।
দ্বিতীয় দিন রানের খাতা খোলার আগেই শ্রীলঙ্কার উদ্বোধনী জুটি ভেঙেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু ধনঞ্জয়া ও কুশলের ১৮৭ রানের জুটিতে হতাশায় দিনটা শেষ করেছিল স্বাগতিকরা। তাদের এই শক্ত জুটি ভাঙার লক্ষ্যে শুক্রবার তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করেছেন মাহমুদউল্লাহরা।
প্রথম ইনিংসে ১ উইকেটে ১৮৭ রানে খেলতে নেমেছে শ্রীলঙ্কা। কুশল ছিলেন ৮৩ রানে অপরাজিত, আর ১০৪ রানে তৃতীয় দিন খেলতে নেমেছিলেন ধনঞ্জয়া।