জোহানেসবার্গ টেস্ট জিততে না পারলেও ড্র হচ্ছে নিশ্চিত। শেষ দিনে অস্ট্রেলিয়াকে করতে হবে মাত্র (!) ৫২৪ রান। বিপরীতে দক্ষিণ আফ্রিকার দরকার ৭ উইকেট। চতুর্থ দিন শেষে অস্ট্রেলিয়া ৬১২ রানের অসম্ভব লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৮৮ রান তুলতেই হারিয়েছে ৩ উইকেট।
চতুর্থ দিনের শেষ বিকেলের যে পূর্বাভাস, তাতে বৃষ্টি বাগড়া না দিলে দক্ষিণ আফ্রিকাই জিততে যাচ্ছে জোহানেসবার্গ টেস্ট। সেটা হলে চার ম্যাচের সিরিজ স্বাগতিকরা জিতবে ৩-১ ব্যবধানে। ‘মহান অনিশ্চতায় খেলা’ ক্রিকেটে যদি ম্যাচটি ড্র হয়ে যায়, তাতেও সিরিজ জিতে যাবে দক্ষিণ আফ্রিকা ২-১ ব্যবধানে। ১৯৭০ সালের পর ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথমবার।
স্টিভেন স্মিথ, ডেভিড ওয়ার্নার ও ক্যামেরন ব্যানক্রফটের বল টেম্পারিংয়ের ঘটনায় ভেঙে পড়েছে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটে। সেটা কতটা, তা জোহানেসবার্গে তাদের পারফরম্যান্সেই স্পষ্ট। দ্বিতীয় ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকা ৬ উইকেটে ৩৪৪ রানে ইনিংস ঘোষণা করার পর চতুর্থ দিন শেষেই একরকম হার মেনে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।
৬১২ রানের অসম্ভব লক্ষ্যে খেলতে নেমে প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যর্থ ম্যাট রেনশ। মাত্র ৫ রান করে ‘বিদায়ী’ মরনে মরকেলের প্রথম শিকারে পরিণত হন। চলতি টেস্টের পরই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানাতে যাওয়া এই পেসারের দ্বিতীয় শিকার আরেক ওপেনার জো বার্নস। ৪২ রান করে তার আউটের আগে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান উসমান খাজা। কেশব মহারাজের বলে এলবিডাব্লিউ হওয়ার আগে করেন ৭ রান। পিটার হ্যান্ডসকম্ব (২৩*) ও শন মার্শ (৭*) শেষ করেছেন দিনের খেলা।
এর আগে ফাফ দু প্লেসির সেঞ্চুরি ও ডিন এলগারের হাফসেঞ্চুরিতে ৬ উইকেটে ৩৪৪ রানে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে দক্ষিণ আফ্রিকা। ব্যর্থতার বৃত্ত ভেঙে দু প্লেসি টেস্ট ক্যারিয়ারের দশম সেঞ্চুরি পূরণ করে খেলেছেন ১২০ রানের কার্যকরী ইনিংস। সেঞ্চুরির পথে হাঁটছিলেন এলগারও, কিন্তু ৮১ রানে আউট হয়ে যান এই ওপেনার। তাদের সঙ্গে এইডেন মারক্রাম (৩৭), তেম্বা বাভুমা (৩৫*) ও ভারনন ফিল্যান্ডারের (৩৩*) ছোট ইনিংসগুলোর ওপর ভর দিয়ে প্রোটিয়ারা অস্ট্রেলিয়াকে দেয় ৬১২ রানের বিশাল লক্ষ্য। ক্রিকইনফো