জেসনের দুর্দান্ত ইনিংসের কারণে ১৯৫ রানের টার্গেট দিয়েও জিততে পারল না মুম্বাই। টানা তৃতীয় ম্যাচ হারল তারা। দিল্লি আইপিএলের ১১তম আসরে প্রথম জয় পেল ৭ উইকেটে। ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ১৯৫ রান করে তারা।
ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমেছিল মুম্বাই। দুর্দান্ত সূচনা করেছিল তারা। সূর্যকুমার যাদব ও এভিন লুইসের ব্যাটে পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে কোনও উইকেট না হারিয়ে ৮৪ রানের দলীয় রেকর্ড গড়ে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। ২৮ বলে চারটি করে চার ও ছয়ে ৪৮ রানে লুইস আউট হলে ভাঙে ১০২ রানের উদ্বোধনী জুটি।
৮ বল পরই সূর্যকুমারও ফেরেন। এই ওপেনার ৩২ বলে ৭ চার ও ১ ছয়ে ৫৩ রানের সেরা ইনিংস খেলেন। দুই ওপেনার ফেরার পর কেবল ইশান কিষাণ উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন মুম্বাইয়ের স্কোরবোর্ডে। ২৩ বলে ৫ চার ও ২ ছয়ে ৪৪ রান করে তিনি আউট হলে রানের গতি কমে যায়। ২১ রানের ব্যবধানে ৫ উইকেট হারায় তারা।
দিল্লির পক্ষে দুটি করে উইকেট নেন ড্যানিয়েল ক্রিস্টিয়ান, রাহুল তেবাতিয়া ও ট্রেন্ট বোল্ট।
কিন্তু শ্রেয়াস আয়ারকে নিয়ে আবারও দাঁড়িয়ে যান জেসন। ২৭ বলে ৩ চার ও ৪ ছয়ে ৫০ করেন দিল্লির এই ওপেনার।
দুজনের ম্যাচ জয়ী ৬০ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি ১৭তম ওভারে ভাঙতে পারতেন মোস্তাফিজ। জশপ্রীত বুমরাহর ওই ওভারে দুইবার আয়ারের ক্যাচ ফেলেন তিনি। অবশ্য নিজের এই ভুল শোধরানোর সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারেননি বাংলাদেশি পেসার। কিন্তু ৫৩ বলে ৬টি করে চার ও ছয়ে সাজানো জেসনের অপরাজিত ৯১ রানের অনবদ্য ইনিংসে ব্যর্থ মোস্তাফিজ, ব্যর্থ মুম্বাইও। ক্রিকইনফো