শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিং নেয় মধ্যাঞ্চল। দিন শেষে তারা উইকেট হারিয়েছে মাত্র ৪টি, রান ৪০৬। স্কোরবোর্ড সমৃদ্ধ করতে মূল অবদান দুই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান আব্দুল মজিদ ও সাদমান ইসলাম।
অবশ্য শুরুতেই রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন সাদমান ৭ রানে। মধ্যাঞ্চল ১৭৮ রানে তৃতীয় উইকেট হারালে আবার মাঠে নামেন তিনি।
তার আগে মজিদ দুটি পঞ্চাশ ছাড়ানো জুটি গড়েন দ্বিতীয় ও তৃতীয় উইকেটে। মার্শাল আইয়ুবের সঙ্গে ৭৭ ও মেহরাব হোসেন জুনিয়রের সঙ্গে ৭২ রানের জুটি গড়েন মধ্যাঞ্চলের এই ব্যাটসম্যান।
চা বিরতির আগে ১১৪ বলে সেঞ্চুরি পান মজিদ। তার সঙ্গে শেষ বিকেলে ১২৬ রানের শক্ত জুটি গড়েন সাদমান। ১৭৮ বলে পেয়ে যান সেঞ্চুরিও। দলীয় ৩০৪ রানে মজিদ রিটায়ার্ড হার্ট না হলে সাদমানের সঙ্গে জুটিটা আরও বড় হতে পারতো। ১৮২ বলে ১৮ চার ও ৬ ছয়ে ১৫৯ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলেন মজিদ।
দিন শেষ হওয়ার ঘণ্টাখানেক আগে শুভাগত হোমের কাছে দারুণ সহায়তা পান সাদমান। ৭৮ রানের জুটি ভাঙে এই ওপেনার ১১২ রানে আউট হলে।
শুভাগতর হাফসেঞ্চুরিতে দলীয় স্কোর চারশ পার হয়। ৪৯ বলে ৫০ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। অধিনায়ক মোশাররফ হোসেন ৭ রানে টিকে ছিলেন।
পূর্বাঞ্চলের বোলারদের দুর্দশার দিনে ৩ উইকেট নিয়ে সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন সোহাগ গাজী।