লিটনের সেঞ্চুরিতে জবাবটা ভালোই দিচ্ছে পূর্বাঞ্চল

লিটন দাসের সেঞ্চুরি উদযাপনএক ম্যাচ বিরতি দিয়ে আবার সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন লিটন দাস। এই ওপেনারের হার না মানা শতকে জবাবটা ভালোই দিচ্ছে পূর্বাঞ্চল। বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) ষষ্ঠ রাউন্ডে মধ্যাঞ্চলের বিপক্ষে দ্বিতীয় দিন শেষ করেছে তারা ৩ উইকেটে ২৬৪ রানে। প্রথম ইনিংসে পূর্বাঞ্চল এখনও পিছিয়ে ২৮২ রানে।

রাজশাহীর শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে প্রথম দিন শেষে মধ্যাঞ্চলের স্কোর ছিল ৪ উইকেটে ৪০৬। দ্বিতীয় দিন তারা আরও ১৪০ রান যোগ করে অলআউট হয় ৫৪৬ রানে। ৫০ রান নিয়ে দিন শুরু করা শুভাগত হোম আউট হন ৭১ রান করে। শেষ দিকে মোহাম্মদ শরীফের ব্যাট থেকে আসে গুরুত্বপূর্ণ ৪১ রান।

মধ্যাঞ্চলের রান উৎসবের বিপরীতে পূর্বাঞ্চলের সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন সোহাগ গাজী। এই স্পিনার ১৮৮ রান দিয়ে পেয়েছেন ৫ উইকেট। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে গাজীর এটি ২০তম ৫ উইকেট। ২টি করে উইকেট পেয়েছেন আবু জায়েদ ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।

মধ্যাঞ্চলের বড় স্কোরের জবাবে নিজেদের প্রথম ইনিংসে শুরুটা মন্দ ছিল না পূর্বাঞ্চলের। উদ্বোধনী জুটিতে লিটন দাস ও মেহেদী মারুফ যোগ করেন ৪৬ রান। তবে মারুফ ১৩ রান করে আউট হওয়ার পর ধাক্কা খায় পূর্বাঞ্চল। অধিনায়ক মমিনুল হক ফেরেন মাত্র ৬ রান করে।

লিটন অবশ্য ছিলেন চেনা রূপে। ওয়ানডে মেজাজে ব্যাট করে আগলে রাখেন এক প্রান্ত, পূরণ করেন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের ১২তম সেঞ্চুরি। মধ্যাঞ্চলের বোলাররা অনেক চেষ্টা করেও আউট করতে পারেননি এই ওপেনারকে। দিন শেষ তিনি অপরাজিত থাকে ১৩৯ রানে। ১২৫ বলের ইনিংসটি লিটন সাজিয়েছেন ২৩ চার ও ১ ছক্কায়।

তৃতীয় উইকেট জুটিতে লিটন যোগ্য সঙ্গ পেয়েছেন তাসামুল হকের কাছ থেকে। শুভাগত হোমের শিকারে পরিণত হওয়ার আগে তাসামুল ৯৩ বলে খেলে যান ৬৭ রানের কার্যকরী ইনিংস। আর দিনের বাকিটা লিটন পার করে দিয়েছেন আফিফ হোসেনকে (৩১*) সঙ্গে নিয়ে।

মধ্যাঞ্চলের হয়ে সর্বোচ্চ ২ উইকেট পেয়েছেন শুভাগত। ১টি উইকেট পেয়েছেন মোশাররফ হোসেন।