আকরাম খান, নাঈমুর রহমান দুর্জয়, খালেদ মাহমুদ সুজন, খালেদ মাসুদ পাইলট, মেহরাব হোসেন অপি, এনামুল হক মনি দীর্ঘদিন একসঙ্গে খেলেছেন জাতীয় দলে। ঘরোয়া ক্রিকেটে অবশ্য প্রায়ই মুখোমুখি হতেন তারা। কক্সবাজারে মাস্টার্স ক্রিকেট কার্নিভালে তারা কখনও প্রতিপক্ষ, কখনও সতীর্থ হয়ে লড়বেন দলকে জয় এনে দিতে।
এটা অবশ্য শুধুই প্রতিযোগিতা নয়, সাবেক ক্রিকেটারদের মিলনমেলাও। চোটের কারণে এবার খেলতে পারছেন না হাবিবুল বাশার সুমন। তবে ক্রিকেট উৎসবে ঠিকই মেতে উঠেছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক, ‘খেলতে পারছি না বলে খারাপ লাগছে। তবে এই ক্রিকেট উৎসবে শরিক হতে পারছি। আগামী কয়েকটা দিন সমুদ্রের পাশে ক্রিকেট নিয়ে ভালোই কাটবে।’
ক্রিকেটে বাংলাদেশের আজকের অবস্থানের পেছনে সাবেকদের অবদান অনস্বীকার্য। সেই সাবেক ক্রিকেটারদের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে দারুণ খুশি ফারুক আহমেদ। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়কের কথা, ‘এই আয়োজন আমাদের জন্য মিলনমেলা। এখানে আমরা শুধু ক্রিকেটই খেলছি না, উৎসবেও মেতে উঠেছি।’
মাস্টার্স ক্রিকেট কার্নিভালের তৃতীয় আসর একদিক দিয়ে অনন্য। এটাই বিশ্বের প্রথম ১০০ বলের টুর্নামেন্ট। ইনিংসের ৫ ওভারের পর যে কোনও ওভারে ১০ বল করতে হবে এই প্রতিযোগিতায়। ১০ বলের ওভার করে রোমাঞ্চিত সাবেক অলরাউন্ডার ফয়সাল হোসেন ডিকেন্স। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেছেন, ‘নিঃসন্দেহে নতুন অভিজ্ঞতা। বোলিং করে ভালো লেগেছে। দল জিতেছে, আর আমি ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় হয়েছি। অধিনায়ক আমার ওপর ১০ বলের ওভার করানোর মতো আস্থা রাখতে পেরেছেন বলে বেশি ভালো লাগছে।’
সাবেক বাঁহাতি স্পিনার এনামুল হক মনিও উচ্ছ্বসিত, ‘যখন জানলাম এখানেই প্রথমবারের মতো ১০ বলের ওভার হচ্ছে, তখন খুব ভালো লেগেছে। আমি ওই ওভারটা করতে পেরে খুব খুশি।’
টুর্নামেন্টের প্রথম দিনে সিক্সার্স সিলেট মাস্টার্সকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে রাজশাহী মাস্টার্স। অন্য ম্যাচে বেক্সিমকো ঢাকা মাস্টার্স ১ রানের নাটকীয় জয় পেয়েছে খুলনা মাস্টার্সের বিপক্ষে।