ক্রিকবাজের খবর, শৃঙ্খলাভঙ্গের কারণে শেষ ম্যাচে বাদ পড়েছিলেন সাব্বির। শনিবার এ খবর তারা জানায় বিসিবির কয়েকটি সূত্রের মাধ্যমে।
গত ডিসেম্বরে রাজশাহীর শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে জাতীয় লিগের ম্যাচ চলার সময় এক কিশোর ভক্তকে পেটান সাব্বির। তাতে ৬ মাসের জন্য ঘরোয়া ক্রিকেটে নিষিদ্ধ হন তিনি। জরিমানাও দিতে হয়েছে ২০ লাখ টাকা। এবার সাব্বির বিতর্কে জড়ালেন সতীর্থের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে। শুধু তাই নয়, সেটা নাকি এক সময় মারামারি পর্যন্তও গড়িয়েছে।
দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি চলার সময় একজন প্রত্যক্ষদর্শীর চোখে ধরা পড়ে, ড্রেসিংরুমে মেহেদী হাসান মিরাজের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় শুরু করেছেন সাব্বির। সেটা শেষ হয়েছে মারামারিতে।
ওই সফরে যাওয়া বোর্ডের এক কমর্কর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, ‘এটা তেমন বড় কোনও ইস্যু নয়, কেবল ভুল বোঝাবুঝি। এমনকি এই ঘটনা ম্যানেজারের রিপোর্টেও উল্লেখ করা হয়নি।’
জানা গেছে, সাব্বির যেন বড় ধরনের শাস্তি না পান সেজন্য এই ইস্যু সামনে আনতে চাননি বাংলাদেশের টিম ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজন। এর আগে ছয় মাসের নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে সাব্বিরকে ‘শেষ সুযোগ’ দিয়েছিলেন বোর্ড প্রেসিডেন্ট নাজমুল হাসান পাপন।
রাজশাহীর ঘটনার আগেও শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ উঠেছিল সাব্বিরের বিরুদ্ধে। ২০১৬ সালে টিম হোটেলে মেয়ে অতিথিকে ঢুকিয়ে গুরুতর শৃঙ্খলাভঙ্গ করায় ১২ লাখ টাকা জরিমানা দিয়েছিলেন তিনি।
আর গত বিপিএলে মাচ ফির অর্ধেক জরিমানা করা হয়েছিল, সঙ্গে জুটেছিল তিনটি ডিমেরিট পয়েন্ট। কারণ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে মাঠের আম্পায়ারের সঙ্গে বাজে আচরণ করেছিলেন সিলেট সিক্সার্সের এই ব্যাটসম্যান। ক্রিকবাজ