সিনিয়র ক্রিকেটাররা রান পেলেও তরুণদের পারফরম্যান্স নিয়ে চিন্তায় পড়ার যথেষ্ট কারণ আছে। ধারাবাহিকভাবেই ব্যর্থ তারা। ওপেনিং নামা লিটন দাস হয়েছেন ব্যর্থ, ব্যক্তিগত ২ রান নিয়ে তিনি ফিরেছেন সাজঘরে। এছাড়া মুমিনুল হক (৭) ও নাজমুল হোসেন শান্ত (৪) কেউই দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি।
তামিম ও মাহমুদউল্লাহ অবশ্য সেঞ্চুরি করে স্বেচ্ছায় অবসরে যান। তামিম করেছেন ১২৫ রান, আর মাহমুদউল্লাহর ব্যাট থেকে এসেছে ১০১ রান। তাদের সঙ্গে হাফসেঞ্চুরি পূরণ করেছেন সাকিব। বাংলাদেশ অধিনায়ক খেলে যান ৬৭ রানের ইনিংস। দলের তিন সিনিয়র খেলোয়াড়ের ব্যাটে ভর করে অলআউট হওয়ার আগে বাংলাদেশের রান ৪০০ ছাড়ায়। ইমরুল কায়েস খেলেছেন ৪০ রানের ইনিংস।
সাকিবের রান পাওয়াটা বাংলাদেশের জন্য সুখবরই। কারণ দীর্ঘ তিনি লংগার ভার্সন ক্রিকেটের বাইরে ছিলেন। তার সবশেষ ম্যাচ ছিল গত বছরের আগস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্ট। এরপর ইনজুরির কারণে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে খেলা হয়নি তার। শুধু তাই নয়, জাতীয় লিগ ও বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগেও তিনি খেলেননি আইপিএলের ব্যস্ততার কারণে।
প্রসঙ্গত, দুই দিনের এই প্রস্তুতি ম্যাচ শেষে আগামী ৪ জুলাই প্রথম টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ: প্রথম ইনিংসে ৮২.২ ওভারে ৪০৩ (তামিম ১২৫, মাহমুদউল্লাহ ১০১, সাকিব ৬৭, ইমরুল ৪০; জোসেফ ৪/৫৩)।