ত্রিদেশীয় সিরিজে দারুণ সূচনা পাকিস্তানের

জিম্বাবুয়েকে সহজেই হারিয়েছে পাকিস্তানগত বছর চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জয়ের পর থেকেই পাকিস্তান দুরন্ত ছন্দে। অন্যদিকে জিম্বাবুয়ের দিন দিন অবনতি হচ্ছে। গত মার্চে বাছাই পর্বের আয়োজক হয়েও ২০১৯ বিশ্বকাপের টিকিট কাটতে পারেনি জিম্বাবুয়ে। দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ের ফলও হলো একপেশে।

রবিবার টি-টোয়েন্টি ত্রিদেশীয় সিরিজের উদ্বোধনী ম্যাচে পাকিস্তানের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি জিম্বাবুয়ে। স্বাগতিক দলকে নিয়ে রীতিমতো ছেলেখেলা করে পাকিস্তান জিতেছে ৭৪ রানের বিশাল ব্যবধানে। সোমবার টুর্নামেন্টের আরেক দল অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে প্রথম ম্যাচের বিজয়ীরা।

হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে টস জিতে প্রতিপক্ষকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন হ্যামিল্টন মাসাকাদজা। দ্বিতীয় ওভারে মোহাম্মদ হাফিজকে (৭) মাসাকাদজারই ক্যাচ বানিয়ে স্বাগতিকদের আনন্দেও ভাসিয়েছিলেন ডানহাতি পেসার কাইল জার্ভিস। কিন্তু শুরুর সাফল্য ধরে রাখতে পারেনি জিম্বাবুয়ে।

ওপেনার ফখর জামান, শোয়েব মালিক আর ষষ্ঠ ম্যাচ খেলতে নামা আসিফ আলীর ব্যাটিং-ঝড় পাকিস্তানকে এনে দিয়েছে ৪ উইকেটে ১৮২ রানের বড় সংগ্রহ। ৪০ বলে তিনটি করে চার ও ছক্কা সহ ফখর জামানের অবদান ৬১ রান।

তবে শোয়েব আর আসিফকে আউট করতে পারেনি জিম্বাবুয়ে। ২৪ বলে দুটি চার ও একটি ছক্কায় ৩৭ রানে অপরাজিত ছিলেন শোয়েব। আসিফের ব্যাট ছিল আরও বিধ্বংসী। মাত্র ২১ বলে ৪১ রানে অপরাজিত আসিফের ঝড়ো ইনিংসে ছক্কা চারটি আর বাউন্ডারি একটি। ম্যাচের সেরা খেলোয়াড়ও তিনি।

পাকিস্তানের চারটি উইকেটই নিয়েছেন পেসাররা। বাঁহাতি পেসার তেন্দাই চিসোরোর শিকার দুটি, জার্ভিস ও আরেক ডানহাতি পেসার চামু চিভাভার একটি করে।

১৮৩ রানের লক্ষ্যের পিছনে ছুটতে গিয়ে কখনোই জয়ের সম্ভাবনা জাগাতে পারেনি জিম্বাবুয়ে। শুরু থেকে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ১৭.৫ ওভারে ১০৮ রানেই তারা অলআউট।

স্বাগতিকদের মাত্র তিন জনই দুই অঙ্কের ঘরে যেতে পেরেছেন—সলোমন মায়ার (২৭), তারিসাই মুসাকান্দা (৪৩) আর এল্টন চিগুম্বুরা (১৪)। পাকিস্তানের পক্ষে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন মোহাম্মদ নওয়াজ, উসমান খান, হাসান আলী ও মোহাম্মদ হাফিজ।