ভারতের দেরাদুনে আফগানিস্তান সিরিজের প্রথম ম্যাচে ছিলেন একাদশের বাইরে। পরের দুই ম্যাচে করেন ৩ ও ১৫ রান। দেশে ফেরার পরও সৌম্যর ব্যাটে রান খরা। শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলের বিপক্ষে দুটি চার দিনের এবং পাঁচটি ওয়ানডে ম্যাচ খেললেও একটি হাফ সেঞ্চুরিও করতে পারেননি।
আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের জন্য আসন্ন টি-টোয়েন্টি সিরিজে সৌম্যর ওপর আস্থা রেখেছে বাংলাদেশ। যদিও এ বছর ২০ ওভারের ক্রিকেটে তার পারফরম্যান্স অনুজ্জ্বল। ২০১৮ সালে ৯টি টি-টোয়েন্টিতে মাত্র ১১৯ রান করেছেন তিনি, যেখানে সর্বোচ্চ ৫১ ঢাকায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।
তবু কেন সৌম্য টি-টোয়েন্টি দলে? বুধবার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে প্রশ্নটা উঠলে প্রধান নির্বাচক সাংবাদিকদের বললেন, “সৌম্যকে নিয়ে আমাদের মধ্যে খানিকটা দ্বিধা ছিল। তবে টিম ম্যানেজমেন্ট তাকে ভীষণভাবে দলে চেয়েছে। দল নির্বাচনের সময় আমরা ম্যানেজমেন্টের কথা গুরুত্ব দিয়ে থাকি। তাদের চাহিদা মেনেই সৌম্যকে দলে নেওয়া হয়েছে। ‘এ’ দলের হয়ে ভালো না করলেও আমরা আত্মবিশ্বাসী, সৌম্য দ্রুত ফর্মে ফিরবে।”
ওয়েস্ট ইন্ডিজে শেষ দুটি টি-টোয়েন্টি হবে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায়। আর ফ্লোরিডার দ্রুতগতির বাউন্সি উইকেটে সৌম্যর সাফল্য নিয়ে আশাবাদী মিনহাজুল, ‘বিদেশের মাটিতে অতীতে সৌম্য যথেষ্ট ভালো খেলেছে। সাধারণত বাউন্সি পিচে স্কয়ার অব দ্য উইকেটে সে ভালো খেলে। ফ্লোরিডার পিচ বাউন্সি আর বেশ দ্রুতগতির। সেজন্য টিম ম্যানেজমেন্ট তাকে দলে চেয়েছে।’