এজবাস্টন টেস্ট দিয়ে নতুন মিশনে নামছে ভারত। সেখানে টেস্ট র্যাংকিংয়ের এক নম্বর দল হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার ব্যাপার তো থাকছেই। দলীয় পারফরম্যান্সের সঙ্গে ব্যক্তিগত লড়াইয়েও রয়েছে প্রমাণের উপলক্ষ। ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট খেলা হলেই খুঁজে পাওয়া যায় না কোহলিকে। ২০১৪ সালে সবশেষ সফরে পাঁচ টেস্টে ভারতীয় ব্যাটসম্যানের গড় ছিল মাত্র ১৩.৪০।
এই ইংলিশদের বিপক্ষেই যেখানে ইংল্যান্ডের বাইরে তার গড় ৫৭.৬৬, সেখানে প্রতিপক্ষদের ঘরের মাঠে একেবারেই অচেনা কোহলি। বিশ্বের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান নিশ্চয় এবার নিজেকে প্রমাণ করবেন? কোহলির মধ্যে মোটেও তেমন কোনও তাগাদা নেই, ‘কোনও দেশে গিয়ে নিজেকে প্রমাণ করতে হবে, এইসব বিষয় আমার মনের মধ্যে কখনোই আসে না। আমি দলের জন্য পারফর্ম করতে চাই।’ ২৯ বছর বয়সী ব্যাটসম্যান সঙ্গে যোগ করেছেন, ‘আমি দলের জন্য খেলে ভারতীয় ক্রিকেটকে ওপরে নিয়ে যেতে চাই, আমার একমাত্র অনুপ্রেরণার জায়গা এটাই।’
২০০৭ সালে সবশেষ ইংল্যান্ড থেকে সিরিজ জিতে ফিরেছিল ভারত। অবশ্য সবশেষ সফরে হারের তিক্ততা পেতে হয় তাদের। ২০১৪ সালে পাঁচ ম্যাচ সিরিজের লড়াইয়ে ভারত হেরেছিল ৩-১ ব্যবধানে, যার মধ্যে শেষ দুই টেস্টে সফরকারীরা পেয়েছিল ইনিংস ব্যবধানে হারের লজ্জা।
চার বছর আগের ওই সফরে কঠিন সময় পার করেছিলেন কোহলি। ১০ ইনিংসে ভারতীয় ব্যাটসম্যান করতে পেরেছিলেন মাত্র ১৩৪ রান এবং চারবার আউট হয়েছিলেন পেসার জেমস অ্যান্ডারসনের বলে!
অবশ্য এর পর থেকে টেস্ট ক্রিকেটে বদলে গেছেন কোহলি। ২০১৪ সালের শেষ দিকে অধিনায়কের দায়িত্ব নেওয়ার পর ভারতকে সপ্তম স্থান থেকে তুলেছেন টেস্ট র্যাংকিংয়ের চূড়ায়। আর ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে এই সময়ে নামের পাশে যোগ করেছেন ১৪ টেস্ট সেঞ্চুরি। বিবিসি