টেস্ট সিরিজে বিধ্বস্ত হলেও প্রিয় ফরম্যাট ওয়ানডে ক্রিকেটে সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশ, মাশরাফি বিন মুর্তজার সুযোগ্য নেতৃত্বে ২-১ ব্যবধানে জিতে নিয়েছে সিরিজ। ৫০ ওভারে সাফল্যের হাত ধরে ২০ ওভারের ক্রিকেটেও কি সাফল্য আসবে?
এই সিরিজের আগে তিন বা ততোধিক ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ মাত্র চারবার খেলার সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। ২০১২ সালে আয়ারল্যান্ডকে ৩-০ তে হোয়াইটওয়াশ করার পর ২০১৬ সালে জিম্বাবুয়ের সঙ্গে চার ম্যাচের সিরিজ ড্র করেছিল ২-২ এ। বাকি দুই সিরিজই হতাশায় ভরা। ২০১৬ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৩-০ এবং গত জুনে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একই ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশের দুঃখ ভোলার সুযোগ ক্যারিবীয়দের মাটিতে। বাংলাদেশ পারবে তো?
তামিম ইকবাল আশাবাদী। ৪৪ বলে ৭৪ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে ম্যাচসেরা নির্বাচিত হওয়ার পর সতীর্থদের প্রতি বাংলাদেশের সফলতম ব্যাটসম্যানের আহ্বান,
‘শেষ ম্যাচে নতুনভাবে সব কিছু শুরু করতে হবে। আজকে জিতেছি বলেই যে কালও জিতবো, এমন কোনও কথা নেই। জিততে হলে প্রত্যেককে নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে হবে। দল হিসেবে পারফর্ম করতে পারলে ম্যাচ জেতা কঠিন হবে না আমাদের জন্য।’
দ্বিতীয় ম্যাচের মতো শেষ ম্যাচেও প্রবাসী বাংলাদেশিদের অকুণ্ঠ সমর্থন টাইগারদের অনুপ্রাণিত করবেই। অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের আশাবাদ, ‘আজ মাঠে অনেক দর্শক এসেছিল। তাদের ধন্যবাদ জানাই। আশা করি, আগামীকাল আরও বেশি দর্শক আসবে।’
সুদূর যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে এত সমর্থন পেয়ে তামিম অভিভূত, ‘মনেই হয়নি যে আমরা দেশের বাইরে খেলছি। মনে হচ্ছিল বাংলাদেশেই খেলছি। আশা করি, আগামীকালও এসে আমাদের সমর্থন জানাবেন তারা।’