ফিঞ্চ এর আগেও দুইবার ওয়ানডেতে নেতৃত্ব দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়াকে। তবে সেটা নিয়মিত অধিনায়কের অনুপস্থিতিতে। আর এবার পূর্ণকালীন অধিনায়ক হিসেবে নতুন অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছেন তিনি। পাকিস্তানের বিপক্ষে সংযুক্ত আরব আমিরাত সফরের মতো ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজেও থাকছে দুই সহ-অধিনায়ক। ফিঞ্চের ডেপুটি হিসেবে কাজ করবেন চোট কাটিয়ে ফেরা হ্যাজেলউড ও উইকেটরক্ষক অ্যালেক্স ক্যারি। প্রোটিয়াদের বিপক্ষে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে অলরাউন্ডার মিচেল মার্শকে।
এ বছরের শুরুতে অস্ট্রেলিয়ার ওয়ানডে দলে অভিষেক হয় ক্যারির। এবার শুধু দলে সুযোগ হলো না, পেইন না থাকায় তাকেই দেখা যাবে উইকেটের পেছনে গ্ল্যাভস হাতে। বল টেম্পারিং কেলেঙ্কারির পর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজ দিয়েই প্রথমবার পুরো শক্তির পেস আক্রমণ পাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। মিচেল স্টার্কের সঙ্গে যোগ দিচ্ছেন হ্যাজেলউড, কামিন্স ও মার্কাস স্টোয়েনিস।
ঘরোয়া ক্রিকেট দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবে ওয়ানডে দলে জায়গা পেয়েছেন টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান ক্রিস লিন। পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ মিস করা গ্লেন ম্যাক্সওয়েলও আছেন প্রোটিয়াদের বিপক্ষে স্কোয়াডে।
৪ নভেম্বর পার্থের ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে অস্ট্রেলিয়া-দক্ষিণ আফ্রিকার ওয়ানডে লড়াই। তিন ম্যাচের ওয়ানডের সঙ্গে একটি টি-টোয়েন্টিও খেলবে দল দুটি।
অস্ট্রেলিয়ার ওয়ানডে দল: অ্যারন ফিঞ্চ (অধিনায়ক), জশ হ্যাজেলউড, অ্যালেক্স ক্যারি (উইকেটরক্ষক), অ্যাস্টন অ্যাগার, প্যাট কামিন্স, নাথান কোল্টার-নাইল, ট্রেভিস হেড, ক্রিস লিন, শন মার্শ, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, ডি’আর্চি শর্ট, মিচেল স্টার্ক, মার্কাস স্টোয়নিস, অ্যাডাম জাম্পা।