বাংলা ট্রিবিউনের সঙ্গে আলাপকালে জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক বললেন, ‘প্রথমবার আমরা সেরা তিনে থেকে বিপিএল শেষ করেছিলাম, গতবার খেলেছিলাম কোয়ালিফায়ারে। এবার অবশ্যই প্রথম টার্গেট কোয়ালিফায়ারে খেলা। এরপর শিরোপার জন্য লড়াই করতে চাই।’
এবারের দল নিয়ে তার বিশ্লেষণ, ‘আমরা আসলে স্ট্র্যাটেজিক দল বানাই। আমাদের দলে হয়তো খুব বড় তারকা থাকে না, তারপরও আমরা ভালো খেলি। দল গড়ার সময় আমাদের চোখ থাকে মোস্ট ইউটিলিটির দিকে। দলের কোথায় গ্যাপ আছে সেটা সবার আগে চিন্তা করি আমরা। এ কারণে প্লেয়ার্স ড্রাফটে প্রথম কলেই উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান হিসেবে জহুরুল ইসলাম অমিকে নিয়েছি। কারণ আমাদের একজন উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যানের প্রয়োজন ছিল। প্রয়োজনের কথা না ভাবলে সৌম্য কিংবা রুবেলকে নিতে পারতাম। কিন্তু প্রথমেই প্রয়োজনটা ফুলফিল করেছি আমরা।’
অবশ্য দারুণ ছন্দে থাকা সৌম্য সরকার আর দেশের অন্যতম সেরা পেসার রুবেল হোসেনকে উপেক্ষা করার সিদ্ধান্ত সহজ ছিল না বলে জানালেন হাবিবুল, ‘সত্যিই খুব কঠিন ছিল সিদ্ধান্তটা। কিন্তু আমরা প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখে দল গড়েছি। প্রথমে আমাদের পরিকল্পনা ছিল মুশফিককে ঘিরে। কিন্তু মুশফিক ড্রাফটের আগেই চিটাগংয়ে চলে যাওয়ায় জহুরুলকে নিতে হয়েছে। ড্রাফটের একটা সমস্যা হচ্ছে, এটাকে কন্ট্রোল করা যায় না। সেকেন্ড কলে কী পাবো তা-ও জানা সম্ভব নয়।’
অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে আরিফুল হক, ব্রেন্ডন টেলর, কার্লোস ব্র্যাথওয়েট, ডেভিড মালান, শেরফান রাদারফোর্ডকে নিয়ে খুলনার ব্যাটিং লাইন-আপ এবার ভারসাম্যপূর্ণ। পেস বোলিং আক্রমণের ভার শ্রীলঙ্কার স্পিড স্টার লাসিথ মালিঙ্গার ওপরে। দল নিয়ে তাই সন্তুষ্ট টাইটানসের পরামর্শক হাবিবুল, ‘আমরা রিসার্চ করেই একজন খেলোয়াড়কে দলে নিই। আমাদের রেজাল্ট কিন্তু খারাপ হয় না। গতবারের চেয়ে আমাদের ব্যাটিং লাইন-আপ অনেক শক্তিশালী এবার। লাসিথ মালিঙ্গার অন্তর্ভুক্তিতে বোলিং আক্রমণও ভালো হয়েছে। খুব বেশি বিগ নেম না থাকলেও ব্যালান্সড হয়েছে দলটা।’