শেষ সেশনের তৃতীয় ওভারে নাঈম এলবিডাব্লিউ করেন দেবেন্দ্র বিশু (৭) ও কেমার রোচকে (২)। তার আগে সুনীল আমব্রিস ও রোস্টন চেজের গুরুত্বপূর্ণ দুটি উইকেট নেন তিনি। শেষ সেশনে আরও একটি উইকেট নেন তিনি ওয়ারিকানকে (১২) বোল্ড করে। সর্বকনিষ্ঠ বোলার হিসেবে অভিষেকে ৫ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব দেখালেন ১৭ বছরের নাঈম।
৮৮ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে লাইনচ্যুত ওয়েস্ট ইন্ডিজকে পথে ফেরান হেটমায়ার। ৪২ বলে হাফসেঞ্চুরি করেন এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। তার আগ্রাসী ব্যাটিং থামান মেহেদী হাসান মিরাজ। দ্বিতীয় সেশনের শেষ দিকে তাকে ৬৩ রানে আউট করেন বাংলাদেশি স্পিনার। ভেঙে যায় শেন ডাউরিচের সঙ্গে তার ৯২ রানের ঝড়ো জুটি। পেছনে মুশফিকুর রহিমকে ক্যাচ দেন হেটমায়ার। তার ৪৭ বলের ইনিংসে ছিল ৫টি চার ও ৪টি ছয়।
এর আগে প্রথম ইনিংসের শুরুতে সাকিব আল হাসান তার প্রথম ওভারে তুলে নেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুটি উইকেট। তাইজুল ২৯ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পরের ওভারে বল হাতে নেন সাকিব। গত জুলাইয়ে সবশেষ টেস্ট খেলেন তিনি এই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। প্রায় ৬ মাস পর ফিরেই আগের বিধ্বংসী রূপে সাকিব। শাই হোপকে ১ রানে বোল্ড করেন তিনি। আর চতুর্থ বলে ব্র্যাথওয়েটকে ১৩ রানে সৌম্য সরকারের ক্যাচ বানান এই বাঁহাতি স্পিনার। তার দুই বল আগে আমব্রিসের ক্যাচ ধরতে পারেননি মুশফিকুর রহিম। তারপর লাঞ্চের আগে চেজের ক্যাচ ডিপ স্কয়ার লেগে ছেড়ে দেন মোস্তাফিজুর রহমান।
নাঈম ১৪ ওভারে ৬১ রান দিয়ে দুটি মেডেনসহ ৫ উইকেট নেন। সাকিব নিয়েছেন ৩ উইকেট। একটি করে পেয়েছেন মিরাজ ও তাইজুল।
৮ উইকেটে ৩১৫ রানে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। তাইজুল ও নাঈম হাসান এদিন বড় অবদান রাখতে পারেননি। আর ৯ রান যোগ করতেই স্বাগতিকরা হারায় শেষ দুটি উইকেট। নাঈম ২৬ রানে আউট হন, মোস্তাফিজুর রহমান রানের খাতা না খুলে বিদায় নেন। দুজনই জোমেল ওয়ারিকানের শিকার।