শনিবার চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে চিটাগং ভাইকিংসের বিপক্ষে ম্যাচ শুরুর আগে আমিরুজ্জামানের পারিবারিক বন্ধু শফিকুল ইসলামের হাতে দুই লাখ টাকার চেক তুলে দিয়েছেন রাজশাহী কিংসের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা শামসুর রহমান।
দলটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিদ আজিজুল হক বলেছেন, ‘বাংলাদেশের ক্রিকেট এখন যেখানে এসেছে, তার পেছনে অনেক মানুষের অবদান। অনেকেই টাকার কথা না ভেবে ক্রিকেটের জন্য জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন। আমিরুজ্জামান তেমনই একজন। তিনি ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগে খেলেছেন। মাদারীপুর ক্রিকেট ক্লিনিক থেকে তার হাত ধরে অনেক ক্রিকেটার উঠে এসেছে। দুঃসময়ে রাজশাহী কিংস পরিবার তার পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আশা করি, আমিরুজ্জামানের চিকিৎসার জন্য ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট প্রত্যেকে সাধ্যমতো চেষ্টা করবেন।’
আশির দশকের ক্রিকেটার আমিরুজ্জামান খেলতেন আজাদ বয়েজ ক্লাবে। এই ক্লাবের হয়ে তিন মৌসুমে ৬৯ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। ১৯৮৭ সালে জাতীয় ক্রিকেট লিগের অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সদস্যও ছিলেন সাবেক এই পেসার।
১৯৮৯ সালে মাদারীপুর ক্রিকেট ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করেন আমিরুজ্জামান। তার কাছে প্রশিক্ষণ পেয়েছেন প্রায় এক হাজার ২০০ ক্রিকেটার।