লুইস ঝড়ে খুলনার বিপক্ষে কুমিল্লার ২৩৭ রান

লুইসের সেঞ্চুরি উদযাপনচার ম্যাচ পর ফিরে ব্যাট হাতে অবিশ্বাস্য এভিন লুইস। তার বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে শঙ্কায় পড়ে যায় গত শুক্রবার রংপুর রাইডার্সের গড়া দলীয় স্কোরের রেকর্ড। কিন্তু হয়নি, মাত্র ৩ রানের জন্য অক্ষত থেকে গেল রংপুরের কীর্তি। সোমবার খুলনা টাইটানসের বিপক্ষে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ৫ উইকেটে করেছে ২৩৭ রান।

চট্টগ্রাম পর্বের শুরুতে চিটাগং ভাইকিংসের বিপক্ষে ৪ উইকেটে ২৩৯ রান করেছিল রংপুর। সোমবার জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে তাদের পেছনে ফেলার আভাস দিয়েছিল কুমিল্লা। লুইস এই বিপিএলে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রান করেন। ৪৯ বলে ৫ চার ও ১০ ছয়ে সাজানো ছিল তার ১০৯ রানের অপরাজিত ইনিংস।

টস জিতে ফিল্ডিং নিয়ে বেশ শক্ত বোলিং পারফরম্যান্স ছিল খুলনার। মাহমুদউল্লাহ তার দ্বিতীয় ওভারে পরপর তামিম ইকবাল ও এনামুল হক বিজয়কে আউট করে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগান। লুইস ফাইন লেগে একটি রান নিয়ে ব্যর্থ করেন খুলনা অধিনায়ককে। তামিম ২৫ রানে বিদায় নিলে ভাঙে কুমিল্লার ৫৮ রানের উদ্বোধনী জুটি। এনামুল ফেরেন শূন্য রানে।

তবে আরেক ওপেনার লুইস ১০ ওভার পর্যন্ত ইমরুল কায়েসকে সঙ্গে নিয়ে বেশ সতর্ক ব্যাটিং করতে থাকেন। ১১তম ওভার থেকে দুজন চড়াও হন খুলনা বোলারদের ওপর। ইমরুলের ঝড়ে একপ্রান্ত আগলে রাখেন লুইস। তাদের ৯৭ রানের জুটিতে ইমরুলের অবদান ২১ বলে ৩৯ রান।

তার আগে ৩১ বলে ফিফটি করেন লুইস। চারটি চার ও দুটি ছয় মেরে ইমরুল বিদায় নিলে ক্যারিবিয়ান ব্যাটসম্যান আরও বিধ্বংসী হয়ে ওঠেন। ১৬তম ওভারে থিসারা পেরেরা (১১) ও শহীদ আফ্রিদি (১) কার্লোস ব্র্যাথওয়েটের জোড়া শিকার হন। এরপর শামসুর রহমানের সঙ্গে শেষ ৪ ওভারে শামসুর রহমানের সঙ্গে ৫৯ রানের হার না মানা জুটি গড়েন লুইস।

৪৮ বলে ‍নবম ছক্কা হাঁকিয়ে এই বিপিএলের চতুর্থ সেঞ্চুরি করেন লুইস। শামসুর ১৫ বলে ১ চার ও ২ ছয়ে ২৮ রানে অপরাজিত ছিলেন।

খুলনার পক্ষে মাহমুদউল্লাহ ও ব্র্যাথওয়েট দুটি করে উইকেট নেন।