সেই প্রশ্নের উত্তরই চাওয়া হয়েছিল কার্লোস ব্র্যাথওয়েটের কাছে। হারের পর খুলনার প্রতিনিধি হয়ে আসা এই ক্যারিবিয়ান যদিও সংবাদমাধ্যমের করা প্রশ্নে ‘নীরব’ ছিলেন। কেন তাইজুলকে এক ওভারও করতে দেওয়া হলো না, সেটা বলতে রাজি হননি তিনি। তবে কুমিল্লার বাঁহাতি ব্যাটসম্যান বেশি থাকাটা একটি কারণ হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন এই অলরাউন্ডার।
বাঁহাতি স্পিনার তাইজুলের একাদশে অন্তর্ভুক্তি স্বাভাবিকভাবেই বোলার হিসেবে। যদিও এভিন লুইসের তাণ্ডবের ম্যাচে খুলনা অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ তাকে দিয়ে একটি ওভারও করাননি। কিন্তু কেন, সংবাদমাধ্যমের এই প্রশ্ন ব্র্যাথয়েট এড়িয়ে গেলেন, ‘এই প্রশ্নের উত্তর আমি দিতে পারব না, কারণ আমি অধিনায়ক নই। কেন অমুককে দিয়ে বল করানো হলো, কেন হলো না, কিংবা কেন অমুক ব্যাট করলো না- আমাকে এই ধরনের প্রশ্ন করলে উত্তর দিতে পারব না, কারণ আমি কোচ কিংবা অধিনায়ক নই। আমি সম্মানের সঙ্গে এটা এড়িয়ে যাচ্ছি।’
একেবারে যে এড়িয়ে গেছেন, তা নয়। কিছুটা ব্যাখ্যাও দিয়েছেন ব্র্যাথওয়েট, ‘রিয়াদ (মাহমুদউল্লাহ) চার ওভার ভালো বল করেছে। ওদের (কুমিল্লা) ইনিংসে বেশিরভাগ সময় বাঁহাতি ব্যাটসম্যান ছিল, খুব অল্প সময় ছিল ডানহাতি। এনামুল (হক) প্রথম বলেই আউট, (শহীদ) আফ্রিদি ৪ বল (আসলে ২ বল) খেলেছে, পরেরটুকু খেলেছে শামসুর রহমান।’
এই কারণে তাইজুলকে বল না দেওয়া হতে পারে বলে ইঙ্গিত ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডারের, ‘যদিও আমি বলতে পারব না কেন তাকে (তাইজুল) বল দেওয়া হলো না। ছোট বাউন্ডারি ও দুজন বাঁহাতি ব্যাটসম্যানের বিপক্ষে বাঁহাতি স্পিনারের বল করাটা অবশ্যই কঠিন ব্যাপার।’
বলতে গেলে খুলনাকে একাই গুঁড়িয়ে দিয়েছেন এভিন লুইস। চোট নিয়েও এই ক্যারিবিয়ান ওপেনার ৪৯ বলে খেলেছেন হার না মানা ১০৯ রানের ইনিংস। হারের হতাশার মাঝেও ক্যারিবিয়ান সতীর্থকে অভিনন্দন জানাতে ভুল হয়নি ব্র্যাথওয়েটের, ‘ওর (লুইস) শুরুটা হয়েছিল ধীরে, এরপর চোটেও পড়েছিল, তবে লুইসই আজ আমাদের হারিয়েছে। দুর্দান্ত শতকের জন্য ওকে স্যালুট করছি।’