২০১৬ সালের ডিসেম্বরে সিরিজ শুরুর আগে এক সপ্তাহের বেশি প্রস্তুতি নিয়েছিল বাংলাদেশ। এবার তেমন কোনও প্রস্তুতি তো নেই-ই, বরং বিপিএলে টি-টোয়েন্টি খেলে এবার নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডেতে মুখোমুখি হচ্ছে তারা। এছাড়া তিনটি টেস্টও বাংলাদেশ খেলবে কিউইদের সঙ্গে।
নিউজিল্যান্ডের কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি কেবল একটি ৫০ ওভারের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। প্রস্তুতিহীন দল নিয়ে দুর্ভাবনায় থাকতে চান না মাশরাফি। ওয়ানডে অধিনায়ক নির্ভার কণ্ঠে বলেছেন, ‘প্রস্তুতি নিয়ে গিয়ে গতবার সফল হতে পারিনি, দেখি এবার কী হয়! এবার প্রস্তুতি ছাড়া যদি ভালো কিছু করি, তাহলে পরেরবার প্রস্তুতি ছাড়াই যাব।’
তবে জেতার জন্যই দল খেলবে দৃঢ়তার সঙ্গে জানালেন মাশরাফি, ‘বিপিএল চলছিল, কিছু করার নেই। আমাদের মানিয়ে নিতে হবে। খারাপ হলে সবাই সমালোচনা করবে, ভালো হলে প্রশংসা করবে। তবে অবশ্যই জেতার চেষ্টা করবো। নিজেদের সেরাটাই খেলব আমরা।’
নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা মোটেও ভালো নয়। সেই বৃত্ত থেকে বের হওয়ার আশ্বাস দিতে চান না মাশরাফি, ‘বেশি আশা কাউকে দিবো না। অবশ্যই আমি অনেক ইতিবাচক। পূর্ণ আত্মবিশ্বাস নিয়ে খেলবো। আগের নিউজিল্যান্ড সফরে আমরা একটি ম্যাচে জয়ের কাছাকাছি ছিলাম। ২৫১ রানে তাদের অলআউট করি। ইমরুল ও সাব্বিরের জুটি একশর মতো হয়েছিল, কিন্তু তারপর ধস। খুব ভালো একটা সুযোগ আমরা পেয়েছিলাম, হাতছাড়া করেছি। আশা করবো এবার সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারবো। কেউই জানে না কী হতে পারে। তবে সিরিজটা আমাদের জন্য সহজ হবে না।’
ফল যেমনই হোক, সেটা নিয়ে না ভেবে এই সিরিজকে বিশ্বকাপের আদর্শ প্রস্তুতি হিসেবে দেখছেন মাশরাফি, ‘আমরা এই সিরিজকে বিশ্বকাপের জন্য ভালো প্রস্তুতি হিসেবে দেখছি। সামনের ৫ থেকে ৬ মাসের দিকে তাকান, এটা খুব আদর্শ কন্ডিশন।’