আজিম, রাহাতুল ও নুরুজ্জামানকে সমঝোতার ভিত্তিতে অন্য দলে দেওয়ার সুযোগ ছিল মোহামেডানের। কিন্তু সেটা না করে তিন জনকে দল খুঁজে নিতে বলে সাকলাইন সজিব, তুষার ইমরান ও শাহাদাত হোসেন রাজীবকে নিয়েছে তারা।
মঙ্গলবার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে এ প্রসঙ্গে সিসিডিএম চেয়ারম্যান সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, ‘কোনও খেলোয়াড়কে প্লেয়ার্স ড্রাফটের পর নিতে চাইলে তাকে ক্যাটাগরি অনুযায়ী পারিশ্রমিক দিতে হবে। এ বিষয়ে আমি মোহামেডানের ম্যানেজেমেন্টের সঙ্গে কথা বলেছি। মোহামেডানের কর্মকর্তারা খেলোয়াড়দের সঙ্গে আলাপ করে এই সমস্যার সমাধান করবেন। এবার ক্লাবগুলোকে পরিষ্কার বলে দেওয়া হয়েছে, কোনও ক্রিকেটারকে দলে নিয়ে না খেলালেও তাকে পারিশ্রমিকের পুরোটাই দিতে হবে। পারিশ্রমিক নিয়ে কোনও অভিযোগ উঠলে সিসিডিএম এবং বিসিবি সংশ্লিষ্ট ক্লাবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। দোষ প্রমাণিত হলে পয়েন্ট কর্তন কিংবা নিষিদ্ধও করা হতে পারে সেই ক্লাবকে।’
ভবিষ্যতে বড় পরিসরে এ ধরনের টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট আয়োজনের ইচ্ছের কথা জানিয়ে কাজী ইনাম আহমেদ বলেছেন, ‘আজকেই বোর্ড প্রধানের সঙ্গে কথা হয়েছে আমার। তিনি বলেছেন, এই টুর্নামেন্টে আমরা খুব ভালো সাড়া পাচ্ছি। আগামী বছর টুর্নামেন্টটা আরও বড় পরিসরে করার চিন্তা করছি আমরা। তাহলে স্থানীয় খেলোয়াড়রা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট আরও ভালোভাবে বুঝতে পারবে।’
সোমবার টুর্নামেন্টের প্রথম দিনে ৩৮ জন ক্রিকেটারের টি-টোয়েন্টি অভিষেক হয়েছে। শুরুটা ভালো হওয়ায় দারুণ খুশি সিসিডিএম চেয়ারম্যান, ‘টুর্নামেন্টটা আমরা সুন্দরভাবে শুরু করতে পেরেছি। প্রত্যেকটি দলের খেলোয়াড়-কর্মকর্তারা এই টুর্নামেন্ট নিয়ে রোমাঞ্চিত। ফতুল্লা-মিরপুর দুই জায়গায় দর্শকরা আগ্রহ নিয়ে খেলা দেখছে। স্থানীয় খেলোয়াড়দের জন্য নিজেদের প্রমাণ করার দারুণ সুযোগ এই টুর্নামেন্ট।’