আরিফুলের অপরাজিত ৫৯ ও নাজমুল হোসেন মিলনের অপরাজিত ৪৫ রানে ভর দিয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে প্রাইম ব্যাংক ৪ উইকেট হারিয়ে স্কোরে জমা করে ১৬৯ রান। কঠিন এই লক্ষ্যে ব্রাদার্স ৮ উইকেটে করতে পারে ১২২ রান। ৪৭ রানের এই জয়ে সেমিফাইনালে খেলার সম্ভাবনা উজ্জ্বল হলো প্রাইম ব্যাংকের। বিপরীতে টানা দ্বিতীয় হারে শেষ চারের আশা শেষ হয়ে গেল ব্রাদার্সের।
মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে প্রাইম ব্যাংকের অধিনায়ক এনামুল হক (৬) ফেরেন শুরুতেই। জাকির হাসান (৯) ও আল-আমিনও (২) ব্যর্থ হলে ৪৭ রানে তারা হারায় ৩ উইকেট। তবে ওপেনার রুবেল মিয়া একপ্রান্ত আগলে রাখলে স্বস্তি ফেরে। রুবেল ৪৩ বলে ৩ চার ও এক ছ্ক্কায় করেন ৪৪ রান।
তাদের আউটের পর ব্রাদার্সের বোলারদের ওপর ঝড় বইয়ে দেন আরিফুল ও নাজমুল। দুজনই থাকেন অপরাজিত। আরিফুল ৩৩ বলে ৪ বাউন্ডারি ও ২ ছক্কায় খেলেন হার না মানা ৫৯ রানের ইনিংস। আর নাজমুল মাত্র ২১ বলে ১ চার ও ৪ ছক্কায় অপরাজিত থাকেন ৪৫ রানে।
ব্রাদার্সের সবচেয়ে সফল বোলার শরিফউল্লাহ। ২৩ রান দিয়ে পেয়েছেন তিনি ২ উইকেট। একটি করে উইকেট শিকার মেহেদী হাসান ও মোহাম্মদ শাহাজাদার।
১৭০ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে প্রাইম ব্যাংকের বোলারদের সামনে সুবিধা করতে পারেননি ব্রাদার্সের ব্যাটসম্যানরা। ব্যর্থতার ভিড়ে সর্বোচ্চ ৩৯ রান আসে ফজলে মাহমুদের ব্যাটে। শফিফুল ইসলাম করেন ১৫ রান। আর ১৪ রান করেন ওপেনার জুনায়েদ সিদ্দিকী।
ব্রাদার্সকে অল্পতে আটকে রাখার পথে বল হাতে আলো ছড়িয়েছেন মনির হোসেন। ২৪ রান দিয়ে তার শিকার ৩ উইকেট। আব্দুর রাজ্জাকের শিকার ২ উইকেট। আর ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতা আরিফুল বল হাতে নিয়েছেন ১ উইকেট।