মিরপুরে শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাট করে ৯ উইকেটে ১৭০ রান করে প্রাইম ব্যাংক। জবাবে ১৯.৪ ওভারে ৪ উইকেটে ১৭১ রান করে দোলেশ্বর। আগামী সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় তারা ফাইনালে মুখোমুখি হবে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের।
মাত্র ৭১ রানে ৫ উইকেট হারানো প্রাইম ব্যাংককে পথে ফেরান জাকির হাসান ও অলক কাপালি। তাদের হাফসেঞ্চুরিতে লড়াই করার মতো স্কোর গড়ে দল। তাদের ৬৫ রানের জুটিই ছিল সর্বোচ্চ। ১৭তম ওভারে জাকিরের ৩৯ বলে ৫ চার ও ১ ছয়ে সাজানো ৫২ রানের ইনিংসটি ফরহাদের কাছে শেষ হয়। এরপরই ভেঙে পড়ে তাদের ব্যাটিং লাইন।
পরের ওভারে ফরহাদ প্রথমে ফেরান মনির হোসেনকে (৯)। এরপর ইনিংস সেরা স্কোর করে কাপালি বিদায় নেন। ৩১ বলে ৬ চার ও ৩ ছয়ে ৫৫ রান করেন তিনি। পরের বলে মোহর শেখকে বিদায় করলেও হ্যাটট্রিক হয়নি, কারণ আগের বলটি ছিল ওয়াইড। প্রাইম ব্যাংকের পক্ষে দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছানো অন্য ব্যাটসম্যান অধিনায়ক এনামুল হক বিজয় (১২)।
৪ ওভারে ৩২ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন ফরহাদ। ম্যাচসেরাও হয়েছেন তিনি। দুটি উইকেট পান এনামুল হক জুনিয়র।
সাইফ হাসান ও মোহাম্মদ আরাফাতের ৫১ রানের জুটিতে আশা জাগানিয়া শুরু করে দোলেশ্বর। তবে পরপর দুই ওভারে আরাফাত (১৯) ও ফরহাদ হোসেন (১) বিদায় নেন। কিন্তু সাইফের সঙ্গে মার্শাল আইয়ুবের ৭৬ রানের জুটিতে ওই ধাক্কা সামলে নেয় দোলেশ্বর।
৪৯ বলে ৫ চার ও ২ ছয়ে ইনিংস সেরা ৬১ রানে আউট হন সাইফ। এই ওপেনারের বিদায়ের পর ক্রিজে নামেন ফরহাদ। মার্শাল (৪৬) হাফসেঞ্চুরির আক্ষেপ নিয়ে আউট হলেও অধিনায়ক ৮ বলে দুটি করে চার ও ছয় মেরে দলের জয় নিশ্চিত করেন। ফরহাদের ব্যাটে আসে ২৪ রানের ঝড়ো ইনিংস। সৈকত আলী অপরাজিত ছিলেন ৮ রানে।
প্রাইম ব্যাংকের পক্ষে একটি করে উইকেট নেন মনির হোসেন, কাপালি ও আব্দুর রাজ্জাক।