বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিসিবি দ্বিতীয় দফায় জার্সি বদলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
সবুজ রঙের জার্সিতে দ্বিতীয় দফায় পরিবর্তন এনেছে বিসিবি। প্রথম দফায় পরিবর্তিত ডিজাইনে জার্সির বুকের মধ্যে লাল ব্যাকগ্রাউন্ডের ওপর লেখা ছিল ‘বাংলাদেশ’। দুই বাহুতেও রাখা হয়েছিল লাল শেড। তবে নতুন ডিজাইনে সেটা রাখা হয়নি। শুধু জার্সির বুকের ওপর ‘বাংলাদেশ’ লেখাটা আগের লাল রঙের মধ্যে রাখা হয়েছে।
সবুজ রঙাটি বাংলাদেশের হোম জার্সি। এটা নিয়েই ছিল সমর্থকদের ঘোর আপত্তি। তবে অ্যাওয়ে জার্সি নিয়ে কারও কোনও আপত্তি ছিল না। ওই জার্সিটি লাল রঙের হলেও তার হাতে ও বুকে সবুজের ছোঁয়া আছে।
লাল-সবুজ জার্সিতে বাংলাদেশকে বিশ্ব ক্রিকেটে প্রতিনিধিত্ব করেন মাশরাফি-সাকিবরা। ক্রিকেটারদের দেশাত্মবোধ ফুটে ওঠে গর্বের জার্সিতে। তাই বাংলাদেশের বিশ্বকাপ জার্সি নিয়ে দেশের মানুষের আগ্রহ ছিল সীমাহীন। কিন্তু গত সোমবার দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে জার্সি উন্মোচনের পর বহু ক্রিকেট ভক্ত হতাশ হয়ে পড়েন।
মোট ২০টি নকশা তৈরি করে তা অনুমোদনের জন্য ক্রিকেট বোর্ডে জমা দেওয়া হয়েছিল। সেখান থেকে দুই রঙের জার্সি চূড়ান্ত করে বিসিবি। প্রাথমিক নকশায় সবুজ জার্সিতে ‘বাংলাদেশ’ ও ক্রিকেটারদের নম্বর লেখা ছিল লাল রঙে। কিন্তু আইসিসির নির্দেশনায় সেটা সাদা করতে বাধ্য হয় বিসিবি।
গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জার্সির ছবি ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয়ে আলোচনা-সমালোচনা। জার্সির ডিজাইন ও রং নিয়ে আপত্তি অনেকেরই। বিশেষ করে সবুজ জার্সি নিয়ে সমালোচনা হয়েছে বেশি। সবুজের মাঝে লালের অনুপস্থিতি মেনে নিতে পারছিলেন না ক্রিকেট ভক্তরা। তাইতো মঙ্গলবার দুপুরে আইসিসির অনুমোদন নিয়ে ফের জার্সি বদলের উদ্যোগ নেয় বিসিবি। কিন্তু একদিনের ব্যবধানে দ্বিতীয় দফায় হোম জার্সিটি বদলে ফেললো বিসিবি।