বড় কোনও দলকে হারালে এখন আর ‘আপসেট’ হয় না। কারণ বাংলাদেশ নিয়মিতই হারায় প্রায় সব দলকে। তাছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে যে দাপট দেখিয়ে জিতেছে, তাতে মাশরাফিদের প্রতি অন্য দলের সমীহ আরও বাড়ার কথা। প্রোটিয়াদের বিপক্ষে ২১ রানের জয়ের পথে বাংলাদেশ ৬ উইকেটে করেছিল ৩৩০ রান।
২০০৭ বিশ্বকাপেও বাংলাদেশ হারিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকাকে। ভারতকেও সেবার বিদায় করে দিয়েছিল টাইগাররা। তখন অঘটন মনে করা হলেও গত এক যুগে বাংলাদেশের ক্রিকেট বদলে গেছে অনেক। সাকিবের ভাষায়, ‘এগিয়ে গেছে অনেক দূর।’ সঙ্গে এটাও জানিয়েছেন, দলের হার টাইগার ভক্তরা আর দেখতে চায় না।
প্রোটিয়াদের বিপক্ষে ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতার পর সাকিব বলেছেন, ‘১২ বছর হয়ে গেছে, আমাদের ক্রিকেট অনেক দূর এগিয়ে গেছে। একটা সময় আমাদের ভালো খেলাটাই সমর্থক ও আমাদের জন্য দারুণ ব্যাপার ছিল। তবে এখন তারা (সমর্থক) কোনও দলের বিপক্ষে হার মানতে পারে না। গত ১২ বছরে আমরা প্রত্যাশার এই পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছি। আমি খুশি, তবে মাত্রই তো টুর্নামেন্ট শুরু হলো।’
২০১৫ বিশ্বকাপে নিজেদের সামর্থ্যের জানান দিয়েছিল বাংলাদেশ প্রথমবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলে। ইংল্যান্ডের আসরে নামার আগেই আবার প্রথমবার জিতেছে বহুজাতিক কোনও টুর্নামেন্ট। যাতে এবারের বিশ্বকাপে বাংলাদেশের কাছে ভক্তদের প্রত্যাশা বেড়ে গেছে কয়েকগুণ।