প্রোটিয়াদের বিপক্ষে ৭৫ রান করার পর এক উইকেট নিয়ে সাকিব হন ম্যাচসেরা। বুধবার নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৬৪ রান করার পর শুরুর দুই উইকেট নেন এই বাঁহাতি স্পিনার। তার মানের কেউ খেললে জেতা সম্ভব বিশ্বাস মাশরাফির। অবশ্য সাকিবের ওপর কোনও প্রত্যাশার চাপ তৈরি করতে চান না তিনি। তার আশা সামনের ম্যাচগুলোতে সবাই নিজেদের সেরাটা দেবেন।
ওভালে ম্যাচের পরের সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক মাশরাফি বলেছেন, ‘টুর্নামেন্টের একেবারে শুরুতেই নির্দিষ্ট কোনও খেলোয়াড়ের ওপর বেশি প্রত্যাশা করা কিংবা চাপ দেওয়া ঠিক হবে না। সবাই যার যার জায়গা থেকে চেষ্টা করছে। কখনও হচ্ছে, কখনও হচ্ছে না। মানসিকভাবে সব সময় এক জায়গায় থাকা সম্ভব নয়। এই মুহূর্তে সাকিব অসাধারণ পারফরম্যান্স করছে। তাকে সাহায্য করার জন্য কাউকে এগিয়ে আসতে হবে। কিন্তু আমরা কেউই সেটা করতে পারিনি। আশা করি সামনের ম্যাচে তেমন পারফরম্যান্স পাবো।’
মাহমুদউল্লাহ ব্যাট করলেও ইনজুরির কারণে বল করতে পারছেন না। এজন্য বাড়তি একজন স্পিনারকে খেলানো হচ্ছে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ শেষেও বিষয়টি উঠে এলো। তার ব্যাখ্যা দিলেন মাশরাফি, ‘মাহমুদউল্লাহ দীর্ঘদিন ধরে খেলছে। তার অভিজ্ঞতা কাজে লাগতে পারতো। কিন্তু সে তো বল করার মতো অবস্থায় নেই। আর সব সময়তো স্পিনারদের ভূমিকা থাকবে না। ওভালের উইকেট কারণেই আমরা স্পিন নির্ভর বোলিং আক্রমণ সাজিয়েছি। সামনে ম্যাচে হয়তো দেখা যাবে পেস নির্ভর বোলিং আক্রমণ।’
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হারলেও এই ম্যাচ থেকে ইতিবাচক বিষয়গুলো নিতে চান মাশরাফি, ‘আজকের ম্যাচটা হারার পর সবার কাছে নেতিবাচক বিষয়গুলোই বেশি আসবে। এখান থেকে ইতিবাচক দিকও আছে। ২৪৪ করে এভাবে লড়াই করা সহজ কোনও বিষয় নয়। সবচেয়ে বড় কথা আমাদের শরীরের ভাষা ছিল অসাধারণ। তাদের যখন ১০৫ রানের জুটি হলো, তখনও আমরা ইতিবাচক ছিলাম। শেষ মুহূর্তে দুটি উইকেট তুলে নিতে পারলে ম্যাচটি তো আমরাই জিততাম। কিন্তু সব সময় ভালো খেললেই হয় না। জিততে হলেও ভাগ্য লাগে। আজকে (বুধবার) আমাদের ভাগ্য সহায় হয়নি।’