টানা তৃতীয় জয়ে পাকিস্তান জায়গা করে নিলো পয়েন্ট টেবিলের শেষ চারে। ৮ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে ইংল্যান্ডকে পেছনে ফেলেছে তারা। স্বাগতিকদের চেয়ে এক ম্যাচ বেশি খেলে ১ পয়েন্টে এগিয়ে থেকে চতুর্থ স্থানে সরফরাজ আহমেদের দল। সেমিফাইনালে খেলার আশা বাঁচিয়ে রেখে আগামী ৫ জুলাই বাংলাদেশের বিপক্ষে লর্ডসে খেলবে তারা এই পর্বের শেষ ম্যাচ।
লিডসের হেডিংলিতে আগে ব্যাট করে ৯ উইকেটে ২২৭ রান করে আফগানিস্তান। এরপর তিন স্পিনার মোহাম্মদ নবী, মুজিব উর রহমান ও রশিদ খান কাঁপন ধরান পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনে। গত দুই ম্যাচের দুর্দান্ত পারফর্মার বাবর আজম ও হারিস সোহেলকে মেলতে দেননি তারা। কিন্তু শেষ দিকে ইমাদের ব্যাটিং ঝড়ে ম্যাচ বের করে নেয় পাকিস্তান। ৪৯.৪ ওভারে ৭ উইকেটে ২৩০ রান করে তারা। বল হাতে ২ উইকেট নেওয়ার পর ব্যাটিংয়ে দারুণ ভূমিকা রাখায় ম্যাচসেরা হয়েছেন ইমাদ।
ইমাম উল হকের সঙ্গে বাবর এরপর দেখেশুনে খেলতে থাকেন। দুজনের ৭২ রানের জুটি ভেঙে ব্রেক থ্রু আনেন নবী। ৩৬ রানে পেছনে ইকরাম আলী খিলের গ্লাভস বন্দি হন ইমাম। আফগান স্পিনার পাকিস্তানকে আরও বড় ধাক্কা দেন তার পরের ওভারে বাবরকে ফিরিয়ে। ৫১ বলে ৪৫ রান করে আউট হন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচসেরা ইনিংস খেলা এই ব্যাটসম্যান।
দলের নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যানের বিদায়ের পর হারিস ও মোহাম্মদ হাফিজের ব্যাটে স্বস্তিতে ফেরে পাকিস্তান। হাফিজকে ১৯ রানে হাসমতউল্লাহ শহীদীর ক্যাচ বানিয়ে এই ৪০ রানের জুটি বিচ্ছিন্ন করেন মুজিব। আগের দুই ম্যাচে হাফসেঞ্চুরি করা হারিস থামেন ২৭ রানে, রশিদের এলবিডাব্লিউর ফাঁদে পড়ে।
শেষ দুই ওভারে ১৬ রান দরকার ছিল পাকিস্তানের। শেষের আগের ওভারে রশিদের কাছ থেকে ১০ রান তুলে নেয় ওয়াহাব রিয়াজ ও ইমাদের জুটি। আফগান অধিনায়ক গুলবাদিন নাইবের শেষ ওভারে প্রয়োজনীয় ৬ রান পেয়ে যায় পাকিস্তানিরা। প্রথম তিন বলে ৪ রান তোলার পর চতুর্থ বলে ইমাদের ব্যাটে আসে জয়সূচক বাউন্ডারি। ৫৪ বলে ৪৯ রানে অপরাজিত ছিলেন এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। অন্য প্রান্তে ১৫ রানে খেলছিলেন ওয়াহাব। দুজনের ২৪ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিটি ছিল ৩ ওভারের।
আফগানিস্তানের পক্ষে মুজিব ও নবী দুটি করে উইকেট পান।