রোহিত-রাহুলের সেঞ্চুরিতে ভারতের সহজ জয়

রোহিতের আরও একটি সেঞ্চুরি, পরে সেঞ্চুরি করেছেন রাহুলওরোহিত শর্মার দুরন্ত গতিতে এগিয়ে চলছেন। তার টানা তৃতীয় সেঞ্চুরির সঙ্গে লোকেশ রাহুলও ছিলেন দুর্দান্ত। দুজনের শতকে রাউন্ড রবিনের শেষ ম্যাচে ৩৯ বল হাতে রেখে শ্রীলঙ্কাকে ৭ উইকেটে হারালো ভারত।

লিডসের হেডিংলিতে আগে ব্যাট করতে নেমে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজের ব্যাটে ৭ উইকেটে ২৬৪ রান করে শ্রীলঙ্কা। জবাবে দুই সেঞ্চুরিতে ৪৩.৩ ওভারে ৩ উইকেটে ২৬৫ রান করে ভারত। ৯ ম্যাচে সপ্তম জয়ে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে উঠে গেছে ভারত। পরের ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে দক্ষিণ আফ্রিকা হারানোয় এক নম্বরে থেকে সেমিফাইনাল খেলবে বিরাট কোহলির দল।

কাসুন রাজিথাকে ২৯তম ওভারের শেষ বলে স্কয়ার লেগ দিয়ে দুর্দান্ত এক বাউন্ডারিতে সেঞ্চুরি করেন রোহিত। তাতে কুমার সাঙ্গাকারাকে (৪) পেছনে ফেলে এক বিশ্বকাপে পাঁচ সেঞ্চুরির অভূতপূর্ব রেকর্ডের মালিক হন এই ভারতীয় ওপেনার। ৯২ বলে ১৪ চার ও ২ ছয়ে তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছান তিনি। তবে রাজিথার পরের ওভারেই তাকে থামতে হয়। ৯৪ বলে ১০৩ রান করে মিড অফে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজের ক্যাচ হন রোহিত।

রাহুলের সঙ্গে ৩০.১ ওভারে ১৮৯ রানের জুটি গড়ে আউট হন রোহিত। তিন নম্বরে ব্যাট করতে নামেন বিরাট কোহলি। তার সঙ্গে ৫৫ রানের জুটি গড়ার পথে বিশ্বকাপের প্রথম সেঞ্চুরি করেন রাহুল। ১০৯ বলে ৯ চার ও ১ ছয়ে শতক হাঁকান তিনি। তাতে বিশ্বকাপে তৃতীয়বার এক ম্যাচে দুই ওপেনারের ব্যাটে সেঞ্চুরির দেখা মিললো। আগের দুটি কীর্তি ছিল ২০১১ সালের বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার ওপেনার উপুল থারাঙ্গা ও তিলকারত্নে দিলশানের।

সেঞ্চুরির পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি রাহুল। ১১৮ বলে ১১ চার ও ১ ছয়ে ১১১ রান করে কুশল পেরেরার ক্যাচ হন তিনি। তাকে ফিরিয়ে লাসিথ মালিঙ্গা বিশ্বকাপে ৫৬তম উইকেট দখল করেন। বিশ্বমঞ্চে সর্বকালের শীর্ষ বোলারের তালিকায় ওয়াসিম আকরামকে পেছনে ফেলেন তিন নম্বরে এই পেসার।

এরপর ঋষভ পান্তের সঙ্গে ৯ ও হার্দিক পান্ডিয়ার সঙ্গে ১২ রানের অপরাজিত জুটিতে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন কোহলি। ৩৪ রানে অপরাজিত ছিলেন ভারতের অধিনায়ক। ৭ রানে খেলছিলেন পান্ডিয়া।

শ্রীলঙ্কার পক্ষে মালিঙ্গা, রাজিথা ও ইসুরু উদানা একটি করে উইকেট নেন।