মাত্র ৮৩ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বিপদে বাংলাদেশ। টপ অর্ডারের ব্যাটিং ব্যর্থতার মাঝেই স্বস্তিদায়ক এক ইনিংস খেলেছেন সৌম্য সরকার। ৬১ বলে ৩ চার ও ১ ছয়ে হাফসেঞ্চুরি করেছেন তিনি।
সৌম্য ফিফটি করার আগের ওভারে ষষ্ঠ উইকেট হারাতে বসেছিল বাংলাদেশ। সাব্বির রহমানের বিরুদ্ধে আকিলা ধনঞ্জয়ার এলবিডাব্লিউর আবেদনে আম্পায়ার আউট দেন। রিভিউ নেন বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান এবং উইকেট বাঁচান। অবশ্য ৩ রানে পাওয়া জীবন লম্বা করতে পারেননি। ৭ রানে লাহিরু কুমারার শিকার হয়েছেন সাব্বির।
বাংলাদেশের ব্যাটিং দুর্দশা
টপ অর্ডারে ধস থামাতে পারছে না বাংলাদেশ। ৮৩ রানের মধ্যে ৫ ব্যাটসম্যানকে হারিয়েছে তারা। দাসুন শানাকার দুর্দান্ত বোলিংয়ে টালমাটাল সফরকারীদের ব্যাটিং লাইনআপ। মুশফিকুর রহিম ও মোহাম্মদ মিঠুনের পর নিজের পঞ্চম ওভারে দাসুন শানাকা তার তৃতীয় উইকেট তুলে নেন মাহমুদউল্লাহকে ফিরিয়ে। ৯ রান করে পেছনে কুশল পেরেরার ক্যাচ হন বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান। এর আগে ৪ রানে লাহিরু কুমারাকে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন মিঠুন।
মুশফিকের বিদায়ে বিপদে বাংলাদেশ
শ্রীলঙ্কা সফরে বাংলাদেশের ব্যর্থতার মধ্যেও উজ্জ্বল ছিলেন মুশফিকুর রহিম। টানা দুই ম্যাচে হাফসেঞ্চুরি করা এই ব্যাটসম্যান শেষটায় হতাশ করলেন। ৬৭ ও অপরাজিত ৯৮ রান করা মুশফিক দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছেই বিদায় নেন।
১২তম ওভারে দাসুন শানাকার বলে কুশল মেন্ডিসের ক্যাচ হন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। তার ১৫ বলে করা ১০ রানের ইনিংসে ছিল মাত্র একটি বাউন্ডারি। ৪৬ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে বাংলাদেশ।
ফেরার ম্যাচে বিবর্ণ এনামুল
এক বছর পর ওয়ানডে জার্সি পরলেন এনামুল হক। কিন্তু সুযোগটা কাজে লাগাতে পারলেন না তিনি। তামিম ইকবালের বিদায়ের পর দায়িত্বশীল ব্যাটিং করতে ব্যর্থ এই ওপেনার। বাংলাদেশ দ্বিতীয় উইকেট হারিয়েছে তার আউটে।
কাসুন রাজিথার বলে মিডউইকেটে অভিষ্কা ফের্নান্ডোর ক্যাচ হন এনামুল। সৌম্য সরকারের সঙ্গে ২৫ রানের জুটি গড়েন তিনি। এই ওপেনারের ইনিংস শেষ হয়েছে মাত্র ১৪ রানে।
আবারও ব্যাট হাতে ব্যর্থ তামিম
অধিনায়ক তামিম ইকবালের সিরিজটা খুবই বাজে গেলো। আগের দুই ম্যাচে শূন্য ও ১৯ রান করা এই ওপেনার মাত্র ২ রান করে সিরিজ শেষ করলেন। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে কাসুন রাজিথার বলে কুশল পেরেরার গ্লাভসে ধরা পড়েন। এনামুল হকের সঙ্গে তার উদ্বোধনী জুটি ছিল মাত্র ৪ রানের। তিন ম্যাচে মাত্র ২১ রান করে সিরিজ শেষ করলেন তামিম।
হোয়াইটওয়াশ এড়াতে বাংলাদেশের চাই ২৯৫ রান
তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে শ্রীলঙ্কার কাছে হোয়াইটওয়াশ এড়াতে বাংলাদেশকে করতে হবে ২৯৫ রান। কলম্বোর আর প্রেমাদাসায় ডেথ ওভারে ঝড় তুলে স্বাগতিকরা ৮ উইকেটে করেছে ২৯৪ রান। শেষ ১০ ওভারে তারা করেছে ১০৬ রান।
অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজের ৮৭ রানের ইনিংস সেরা পারফরম্যান্সে শ্রীলঙ্কা চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ে। এছাড়া কুশল মেন্ডিসের ৫৪ রান ছিল কার্যকরী।
বাংলাদেশের পক্ষে সৌম্য সরকার ও শফিউল ইসলাম সর্বোচ্চ ৩টি করে উইকেট নেন।