শুক্রবার দ্বিতীয় দিন খেলতে নেমে বেশিদূর এগোতে পারেনি আফগানিস্তান। ৭১ রানের ব্যবধানে শেষ ৫ উইকেট হারায় সাকিব আল হাসান ও তাইজুল ইসলামের জোড়া আঘাতে। প্রথম ইনিংসে আফগানরা থামে ৩৪২ রানে। এরপর ৮ উইকেটে ১৯৪ রান করে বাংলাদেশ। ২ উইকেট হাতে রেখে এখনও তারা ১৪৮ রানে পিছিয়ে।
সকালটা শুরু হয় তাইজুলের উইকেট উদযাপনে। আগের দিনের দুই অপরাজিত থাকা ব্যাটসম্যান আসগর আফগান (৯২) ও আফসার জাজাইকে (৪১) ফেরান এই স্পিনার। দুই প্রতিষ্ঠিত ব্যাটসম্যান আউট হলে রশিদ ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন রশিদ। ৫০ বলে ২ চার ও ৩ ছয়ে প্রথম হাফসেঞ্চুরি করেন আফগান অধিনায়ক। তাকে ফিরতি ক্যাচ ধরে সফরকারীদের অলআউট করেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ৬১ বলে ৫১ রান করেন রশিদ।
এরপর রশিদের স্পিনে বিপাকে পড়ে স্বাগতিকরা। প্রথম ওভারে এই লেগ স্পিনারের শিকার হন লিটন, ৩৩ রান করে বোল্ড হন বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান। নিজের পঞ্চম ওভারে জোড়া আঘাতে সাকিব ও মুশফিকুর রহিমকে আউট করেন রশিদ। মুমিনুল হকের সঙ্গে ৩৪ রানের জুটি গড়ে সাকিব (১১) এলবিডাব্লিউ হন, আর মুশফিকের (০) ব্যাটে লেগে বল বুটে আঘাত করে ইব্রাহিম জাদরানের হাতে ধরা পড়ে।
৮৮ রানে ৫ উইকেট হারানোর পরও ভোগান্তির শেষ হয়নি। তৃতীয় সেশনের শুরুতে রশিদের স্পিনে ১০৪ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। মাহমুদউল্লাহকে (৭) বোল্ড করে চতুর্থ উইকেট নেন আফগানিস্তানের অধিনায়ক।
মুমিনুলের বিদায়ের পর সতর্ক ব্যাটিং করছিলেন মোসাদ্দেক ও মেহেদী হাসান মিরাজ। কিন্তু জুটিটা ১৬ রানের বেশি করতে পারেনি তারা, মিরাজকে (১১) বোল্ড করে ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট উইকেট পান কায়েস আহমেদ। ১৪৬ রানে ৮ উইকেট হারানো বাংলাদেশকে কিছুটা হলেও স্বস্তি এনে দেন মোসাদ্দেক ও তাইজুল। ৪৮ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দিন শেষ করেছেন তারা। ৪৪ রানে মোসাদ্দেক আর ১৪ রানে তাইজুল তৃতীয় দিন সকালে খেলতে নামবেন।
দ্বিতীয় দিন আফগানিস্তানের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন রশিদ। দুটি পান নবী।