সাকিব-মুশফিক কিংবা তামিম কখনও বিপদে পড়লেই ছুটে যান ‘ফাহিম স্যারের’ কাছে। একসময় তার কাজ ছিল বয়সভিত্তিক দলগুলোর কোচ হয়ে তরুণ মেধার খোঁজ করা। পরে বিসিবির গেম ডেভেলপমেন্ট বিভাগে কাজ করেছেন। সেখান থেকে অদ্ভুত কয়েকটি কারণে তাকে সরিয়ে মেয়েদের ক্রিকেট দলের দায়িত্ব দেওয়া হয়। সেখানে নিজের কাজটা ঠিকমতো করতে না পেরে হতাশা নিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন। অবশ্য কোনও কষ্ট নয়, যাওয়ার বেলায় হাসিখুশি ফাহিম।
বিদায়ের আগের দিন ববির রুমে জম্পেশ আড্ডা দিয়েছেন ফাহিম। ববি মজার প্রশ্ন করলেন, “সবাই তো আপনাকে ‘ফাহিম স্যার, ফাহিম স্যার’বলে ডাকে। আপনি কারও কাছ থেকে শুধু ফাহিম নাম কখনও শুনেছেন?” ‘এই মাত্র আপনি ডেকে বেয়াদবি করলেন..!’ – ফাহিমের এই জবাবে হাসির রোল পড়ে গেলো রুমজুড়ে। এই আড্ডায় উপস্থিত ছিলেন কয়েকজন সাংবাদিকও। সেখানে ক্রিকেটের বাইরে রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়েও কথা হয়েছে।
বাংলাদেশ ক্রিকেটের শুরুর দিকে যারা ছিলেন, তাদের প্রায় প্রত্যেকেই এখন বোর্ডের বাইরে। এর আগে ফাহিমের বন্ধু সারোয়ার ইমরান বিসিবির চাকরি থেকে ইস্তফা দেন। এবার তিনি নিজেই চলে যাচ্ছেন। এক যুগেরও বেশি সময় ধরে দেশের ক্রিকেটে থেকে বিশেষ মুহূর্তের স্বাক্ষী ফাহিম। একসময়ের এই কিউরেটর বানান বাংলাদেশের অভিষেক টেস্টের উইকেট।