গুনাথিলাকার সেঞ্চুরিতে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে শ্রীলঙ্কা স্কোরে জমা করেছিল ২৯৭ রান। লক্ষ্যটা ৫ উইকেট হারিয়ে ১০ বল আগেই টপকে যায় পাকিস্তান। তাতে ১০ বছর পর দেশের মাটিতে ক্রিকেট বিশ্বের বড় কোনও দলের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের উৎসবে মেতেছে তারা।
উদ্বোধনী জুটিই জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিল স্বাগতিকদের। ফখর জামানের সঙ্গে ইমাম-উল-হকের জায়গায় ইনিংস শুরু করা আবিদ আলী নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ৬৭ বলে ১০ বাউন্ডারিতে তিনি খেলে যান ৭৪ রানের ইনিংস। দারুণ শুরু এনে দেওয়া এই ব্যাটসম্যান জিতেছেন ম্যাচসেরার পুরস্কার।
ফখরও রেখেছেন গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা। আবিদ আলীর সঙ্গে ১২৩ রানের জুটি গড়া এই ব্যাটসম্যান খেলেন দলীয় সর্বোচ্চ ৭৪ রানের ইনিংস। ৯১ বলের ইনিংসটি তিনি সাজান ৭ বাউন্ডারি ও ১ ছক্কায়। আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান বাবর আজমের শুরুটা ভালো হলেও তাকে থামতে হয় ৩১ রানে। সিরিজসেরার পুরস্কার উঠেছে তার হাতেই।
শ্রীলঙ্কার সবচেয়ে সফল বোলার নুয়ান প্রদীপ। এই পেসার ৫৩ রান দিয়ে পেয়েছেন ২ উইকেট। ১টি করে উইকেট শিকার লাহিরু কুমারা, ভানিন্দু হাসারাঙ্গা ও শিহান জয়াসুরিয়ার।
এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা শ্রীলঙ্কার শুরুটা অবশ্য ভালো ছিল না। দলীয় ১৩ রানে সফরকারীরা হারায় প্রথম উইকেট। মোহাম্মদ আমিরের বলে উইকেটরক্ষক সরফরাজ আহমেদের গ্লাভসবন্দী হয়ে ৪ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন ওপেনার অভিষ্কা ফার্নান্ডো।
শুরুর ধাক্কা লঙ্কানরা কাটিয়ে ওঠে গুনাথিলাকা ও লাহিরু থিরিমানের ব্যাটে। এই সফরে শ্রীলঙ্কার ওয়ানডে অধিনায়কের দায়িত্ব পাওয়া থিরিমানে ভালো শুরু পেলেও ৩৬ রানে আউট হয়ে যান। অ্যাঞ্জেলো পেরেরাও (১৩) যেতে পারেননি বেশিদূর। তবে অন্যপ্রান্ত আগলে রেখে নিজের সঙ্গে দলের রান বাড়িয়ে নেন গুনাথিলাকা।
পাকিস্তানি বোলারদের শাসন করে ১৩৪ বলের ইনিংসটি এই ওপেনার সাজান ১৬ চার ও ১ ছক্কায়। তার গড়ে দেওয়া ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে ঝড়ো ইনিংস খেলেছেন দাসুন শানাকা। ২৪ বলে ৫ বাউন্ডারি ও ২ ছক্কায় খেলা তার ৪৩ রানের ইনিংসে ৩০০ ছুঁইছুঁই সংগ্রহ দাঁড় করায় শ্রীলঙ্কা। মিনোদ ভানুকার ৩৬ রানও রেখেছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
পাকিস্তানের সবচেয়ে সফল বোলার মোহাম্মদ আমির। এই বাঁহাতি পেসার ১০ ওভারে ৫০ রান দিয়ে পেয়েছেন ৩ উইকেট। ১টি করে উইকেট নিয়েছেন উসমান শিনওয়ারি, ওয়াহাব রিয়াজ, শাদাব খান ও মোহাম্মদ নওয়াজ। ক্রিকইনফো