বিপিএলে বল হাতেও সাফল্য পাচ্ছেন অবশ্য। আগের দিন কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে অফব্রেক বোলিংয়ে ৯ রানে দুই উইকেট নেওয়ার পর ২৯ বলে করেছেন ৫৯ রান। আজ আবার ঝড় তুলেছেন জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে। সিলেট থান্ডারের বিপক্ষে ২৮ বলে ৫৬ রানের আক্রমণাত্মক ইনিংসের সঙ্গে ৩৩ রানে তার শিকার এক উইকেট।
ক্যারিয়ারের শুরু থেকে ভালো ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বোলিংয়েও তিনি দক্ষ। এবার তো দুই বিভাগেই সফল। তাহলে দলে আপনার ভূমিকা কী? সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নটা উঠতে মেহেদীর জবাব, ‘আগে তো ব্যাটিংটাই ভালো ছিল। কিন্তু এখন আমার প্রধান অস্ত্র বোলিং। সুতরাং এখন আমি বোলিং অলরাউন্ডার।’
চট্টগ্রামে হঠাৎ ওপরে ব্যাট করার সুযোগ পেলেও তিনি ঘাবড়ে যাননি, “প্রথম শ্রেণি আর লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেট শুরু করেছিলাম টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান হিসেবে। বিপিএলে এর আগে যেখানেই খেলেছি, প্রতিটি দলের ব্যাটিং গভীরতা ছিল দারুণ। তাই ওপরে ব্যাট করার সুযোগ পাইনি। গতকাল (সোমবার) দলে ইনজুরি সমস্যা ছিল বলে আমাকে ওপরে পাঠানো হয়েছিল। আর আমি সফলও হয়েছি। আসলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে একজন ব্যাটসম্যান পরিণত হয়ে ওঠে। আমি অবশ্য তেমন হিসেব করে ব্যাট করতে পারি না। তাহলে তো আজ দলকে জিতিয়েই মাঠ থেকে ফিরতে পারতাম।’
তবু পরপর দুই ম্যাচে তার হাতে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার। এবার বল হাতেও জ্বলে উঠে দলের সাফল্যে অবদান রাখতে চান মেহেদী, ‘বোলার হিসেবে বিপিএল শুরু করেছিলাম। কিন্তু বোলিংয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারছি না। এখন সেদিকে নজর দিচ্ছি। বল হাতে আরও সাফল্য পেতে চাই।’