শিখর ধাওয়ান চোটের কারণে সফরে নেই। শেষ টি-টোয়েন্টিতে পায়ের পেশির চোটে মাঠের বাইরে রোহিত শর্মা। ওয়ানডে সিরিজে দুই নতুন ওপেনারকে নিয়ে খেলতে হচ্ছে ভারতকে। পৃথ্বী শ আর মায়াঙ্ক আগারওয়ালের উদ্বোধনী জুটি ঠিক ৫০ রান এনে দিয়েছে সফরকারীদের।
অধিনায়ক বিরাট কোহলি আর আইয়ারের তৃতীয় উইকেট জুটিতে এসেছে ১০২ রান। ৮, ১১ ও ৮৩ রানে তিনবার ‘জীবন’ পাওয়ার সুযোগ কাজে লাগিয়ে আইয়ার পেয়েছেন প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরি। যদিও ধীরগতির ব্যাটিংয়ের জন্য তাকে দুষতেই পারে ভারত। ১০৭ বলে ১০৩ রান ঠিক ওয়ানডেসুলভ ব্যাটিং নয়। কোহলিও ধীরে-সুস্থে খেলে ৬৩ বলে করেছেন ৫১। তবে লোকেশ রাহুলের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে সাড়ে তিন শ’র কাছাকাছি চলে গেছে ভারত। ৬৪ বলে ৮৮ রানে অপরাজিত ছিলেন রাহুল। শেষ দিকে কেদার যাদবের ১৫ বলে ২৬ রানের ‘ক্যামিও’ ইনিংসের অবদানও কম নয়।
হেনরি নিকোলসের সঙ্গে মার্টিন গাপটিল (৩২) ৮৫ রানের উদ্বোধনী জুটিতে ভালোই শুরু হয়েছে কিউইদের। নিকোলস ৭৮ করে রান আউট হলেও রস টেলর (৮৪ বলে অপরাজিত ১০৯) আর ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক টম ল্যাথামের (৪৮ বলে ৬৯) ঝড়ো ব্যাটিং প্রায় দুই ওভার আগেই জয় এনে দিয়েছে নিউজিল্যান্ডকে। প্রায় সব ভারতীয় বোলারই মার খেয়েছেন। তবে সবচেয়ে খরুচে শার্দূল ঠাকুর, ৯ ওভারে ৮০ রান দিয়ে নিয়েছেন গাপটিলের উইকেটটি। বাঁহাতি চায়নাম্যান বোলার কুলদীপ যাদব ১০ ওভারে ৮৪ রান দিয়ে পেয়েছেন ২ উইকেট।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
ভারত: ৫০ ওভারে ৩৪৭/৪ (পৃথ্বী ২০, আগারওয়াল ৩২, কোহলি ৫১, আইয়ার ১০৩, রাহুল ৮৮*, যাদব ২৬*; সাউদি ২/৮৫, সোধি ১/২৭, গ্র্যান্ডহোম ১/৪১)
নিউজিল্যান্ড: ৪৮.১ ওভারে ৩৪৮/৬ (গাপটিল ৩২, নিকোলস ৭৮, ব্লান্ডেল ৯, টেলর ১০৯*, ল্যাথাম ৬৯, নিশাম ৯, গ্র্যান্ডহোম ১, স্যান্টনার ১২*; যাদব ২/৮৪, শামি ১/৬৩, শার্দূল ১/৮০)
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: রস টেলর।